ইস্তানবুল বিমানবন্দরে ৪ বছরে সাড়ে ১৬ কোটি যাত্রী এসেছে
ইস্তানবুল বিমানবন্দরে গত চার বছরে ১৬ কোটি ৪১ লাখ যাত্রীর আগমন হয়েছে।
২০১৮ সালে যাত্রার পর ২৬২টি গন্তব্যে ১১ লাখেরও বেশি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। বার্ষিক ৯ কোটি ৫০ লাখ যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা রয়েছে ইস্তানবুল বিমানবন্দরের। ২০২৮ সালের মধ্যে ছয়টি রানওয়ে নির্মাণ শেষ হলে বার্ষিক ২০ কোটি যাত্রী ধারণক্ষমতা এবং ৩৫০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনায় সক্ষম হবে বিমানবন্দরটি।
এতে প্রতিদিন ২৫০টি এভিয়েশন কোম্পানির দুই সহস্রাধিক উড়োজাহাজ অবতরণ ও উড্ডয়ন করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইউরোপিয়ান এয়ারপোর্ট ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন জানায়, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ইউরোপের ব্যস্ততম বিমানবন্দর ছিল ইস্তানবুল।
ইস্তানবুলের এই নতুন এয়ারপোর্টের কাজ পুরোপুরি শেষ হতে আরো ১০ বছর লাগবে। আর তখন এই বিমানবন্দর হবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ। চার ধাপে পুরো নির্মাণ কাজ শেষ হবে।
নতুন ইস্তানবুল বিমানবন্দরের শুধু টার্মিনালের আয়তনই ১.৩ মিলিয়ন বর্গমিটার। পুরো নির্মাণকাজ করা হবে ৭৬.৫ মিলিয়ন বর্গমিটার জায়গার ওপর। চার ধাপের পুরো কাজ শেষ হলে ৫০০ বিমান ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন এপ্রোন এবং ৬টি উড্ডয়ন রানওয়ে থাকবে যা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিমান ওঠানামা করতে পারবে।
বিমানবন্দরে সবচেয়ে আকর্ষণ এবং নান্দনিক সৌন্দর্য নিয়ে আসছে এর এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ার। টিউলিপ ফুলের আকৃতির এই টাওয়ারটি ২০১৬ সালে ৩৭০ টি প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত তালিকার মধ্য থেকে আন্তর্জাতিক স্থাপত্য পুরস্কার অর্জন করে।
এছাড়াও আছে ৭০ হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। ২৫০টি বিমান কোম্পানি এখন থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করবে।
সর্বমোট নির্মাণ ব্যায় ২৬ বিলিয়ন ইউরো। প্রথম ধাপের নির্মাণ ব্যায় ৬ মিলিয়ন ইউরো। ৯ হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা পুরো বিমানবন্দরকে নখদর্পনে রাখবে। সাড়ে ৩ হাজার সিকিউরিটি অফিসার দায়িত্বরত থাকবেন।
বিমানবন্দরে আরো থাকবে ৫ শতাধিক বেশি চেক-ইন পয়েন্ট, ২২৮ টি পাসপোর্ট কন্ট্রোল পয়েন্ট, ব্যাগেজ পরিবহনের জন্য ৪২ কিলোমিটার লম্বা ব্যাগেজ সিস্টেম, ১৪৩ যাত্রী উঠার ব্রিজ।
প্রথম ধাপ শেষ হতে সময় লেগেছে মাত্র সাড়ে তিন বছর। বিমানবন্দরের ভেতরে ৫ হাজার বর্গ মাইটার এলাকার ওপর তৈরি করা হয়েছে বিশাল পেট্রল স্টেশন।
বিমানবন্দরটি ইস্তানবুল শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩৫ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে, কৃষ্ণসাগরের তীরে শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে থাকবে বিলাসবহুল বাসের ব্যবস্থা। আগামী বছর থেকে চালু হবে আন্ডারগ্রউন্ড মেট্রো।
-B










