রামুতে পাহাড়ের চূড়ায় স্বপ্নতরী জাহাজ- আকৃষ্ট হচ্ছে পর্যটক
দূর থেকে দেখেই মনে হবে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে একটি বড় জাহাজ! কিন্তু কাছে আসলেই ধারনা কিছুটা পাল্টে যেতে পারে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের রামু উপজেলার গুচ্ছগ্রাম এলাকার পাশে অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন স্বপ্নতরী শিশুপার্ক এটি।
স্বপ্নতরী জাহাজ ও পার্কটি এখন পর্যটন স্পটে পরিণত হয়েছে। সকালে কিংবা বিকেলে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের কোলাহলে ভরপুর থাকে। চারপাশে সবুজের সমারোহ। পাহাড় চূড়ায় স্বপ্নতরী জাহাজটি দূর থেকে দৃষ্টি কেড়ে নেয় ভ্রমণপিপাসুদের।
রামু উপজেলা সদর থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে উত্তরে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে রশিদনগর ইউনিয়নের একটি পাহাড়ে আকর্ষণীয় এই পার্কটি। সরকারি খাসজমির পাহাড়টি সম্পূর্ণ অক্ষত রেখেই প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুটের স্বপ্নতরী নামের আস্ত এই জাহাজটি নির্মাণ করা হয়েছে। পাহাড় জুড়ে এই স্বপ্নতরি পার্ক যে কারো দৃষ্টি কাড়বেই।
পাহাড়ের চূড়ায় জাহাজ নির্মাণকাজের সঙ্গে সংলিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, সাগরে ভাসমান একটি জাহাজে যা থাকে, তার সবই রাখা হবে এটিতে। যেমন জাহাজের নোঙর থাকবে। ওপরে থাকবে চিমনি। সেই চিমনি থেকে যথারীতি ধোঁয়াও বের হবে। বাস্তবে জাহাজের রেস্টুরেন্টের চুলার ধোঁয়া চিমনি থেকে নির্গতের ব্যবস্থা করা হবে। জাহাজে স্টিয়ারিং, লাইটিং, বয়া, শিকলসহ বিপদের সময় ব্যবহারের ডিঙি নৌকা এবং থাকবে ৭৫ ফুট লম্বা জাহাজের মাস্তুলও।
স্থানীয় কয়জন জানান,এটি আমাদের রশিদনগর তথা রামুবাসীর জন্য একটা বড় পাওয়া। এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার স্থানীয় ও দেশি পর্যটকদের ভীড় লক্ষ্য করা যায়। তবে এটি পুরোপুরি চালু হলে দেশীয় পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশীরা ও ভীড় করবেন।
-B










