বগুড়ায় দুর্ঘটনায় বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান

বগুড়ায় বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে। রবিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুর পৌণে ১টার দিকে কাহালু উপজেলার মুরইল ইউনিয়নের বড়মহর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
কর্মকর্তা মুহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পিটি—৬ প্রশিক্ষণ বিমানটি দূর্ঘটনায় পতিত হলেও পাইলটগণ সুস্থ রয়েছে।
প্রত্যক্ষদশীর্দের বরাত দিয়ে বগুড়ার কাহালু উপজেলার মুরইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জানান, প্রায় ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বিমান বাহিনীর ফ্লাইং ইন্সট্রাক্টর স্কুলের (এয়ারফিল্ড) একটি প্রশিক্ষণ বিমান দুপুর পৌণে ১টার দিকে দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে আসার সময় ঘুরতে থাকে। এরপর সেটি শিমুলিয়া গ্রামের শাহ্ জামান এবং সাজুর বাড়ি সংলগ্ন বাঁশ ঝাড়ের ওপর এসে পড়ে। বিমানটি এমনভাবে পড়ে যে, তার সামনের অংশ অর্থাৎ ইঞ্জিন মাটির সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুমড়ে—মুচড়ে যায় এবং পেছনের দিকটি বাঁশঝাড়ের ওপরে আটকে যয়।
মুরইল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল জানান, দুর্ঘটনার পর পরই স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে বিমানের ভেতর থেকে দুই পাইলটকে অক্ষত অবস্থায় বের হতে সাহায্য করেন। তবে ওই ঘটনায় বাড়ির মালিক শাহ জামানের ৮ বছর বয়সী ছেলে শাহেদ কিছুটা আঘাত পেয়েছে। আকস্মিক ওই দূর্ঘটনায় সে কিছুটা ভয়ও পেয়েছে। তিনি বলেন, পরে খবর পেয়ে বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা, পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
ওই একই মডেলের একটি বিমান গত বছরের ২৯ নভেম্বর সকালে এয়ারফিল্ডের পাশে একটি আলুর ক্ষেতে জরুরী অবতরণ করেছিল। প্রায় এক বছর আগে ওই দুর্ঘটনাতেও পাইলটরা অক্ষত ছিলেন।
আইএসপিআর জানায়, বগুড়া এয়ারফিল্ডের কাছে প্রশিক্ষণের সময় বিমানবাহিনীর পিটি-৬ প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় পতিত হয়। তবে এ ঘটনায় পাইলটরা সুস্থ আছেন। বিমানে পাইলটসহ দুজন ছিলেন।
রফিকুল ইসলাম নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, হঠাৎ করে বিমানটি বাঁশবাগানে পড়ে যায়। তবে এঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
-B










