উড়োজাহাজ সরবরাহে পিছিয়ে পড়ছে এয়ারবাস
নতুন বছরের শুরুটা ভালো হলো না ইউরোপের বিখ্যাত উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের।
জানুয়ারিতে বাহন সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনি কোম্পানিটি। এ সময় মাত্র ২০টি উড়োজাহাজ সরবরাহ করা গেছে, যা নিয়ে এরই মধ্যে এক ধরনের অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে ৬৬১টি উড়োজাহাজ তৈরি করতে পেরেছিল এয়ারবাস।
ক্রয়াদেশ পূরণ করতে না পারা ও সরবরাহে ধীরগতির জন্য এখন পর্যন্ত ইঞ্জিন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানকেই দায়ী করছে এয়ারবাস। তবে এয়ারবাসের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামোগত দুর্বলতাসহ বেশকিছু কারণে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরবরাহে এ ধীরগতি আরো দীর্ঘায়িত হতে পারে।
গত বছরের শেষ দিকে সরবরাহ লক্ষ্যমাত্রায় ৩৩ শতাংশ ঘাটতি দেখা গিয়েছিল। সে সময় কোম্পানির প্রধান নির্বাহী গুইলাম ফারে এয়ারবাসের কর্মীদের বলেছিলেন, এটিকে সতর্ক বার্তা হিসেবে নিতে হবে। আবার যেন এ পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি এয়ারবাস।
চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিক হবে এয়ারবাসের জন্য পরীক্ষার সময়। এ সময় এয়ারবাসকে ১৪০টি বাহন সরবরাহ করতে হবে। জানুয়ারিতে যেহেতু বাহন সরবরাহে তেমন গতি ছিল না, তাই সেটিও দ্রুতই কাটিয়ে উঠতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ অবস্থা সৃষ্টির জন্য সরবরাহ চেইনের সংকটকেও দায়ী করা হচ্ছে। এয়ারবাস রাশিয়ার টাইটেনিয়ামের উৎসের প্রতি ভীষণভাবে নির্ভরশীল। ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধের ফলে সে সরবরাহেও ভাটা পড়েছে। এমনকি ইস্পাতের সরবরাহ চেইনেও ব্যাঘাত ঘটেছে। সব মিলিয়ে বেশ সংকটে পড়ে গেছে এয়ারবাসের সরবরাহে।
-B










