চীনে গবেষণা কেন্দ্র চালু করেছে এয়ারবাস

চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সুচৌতে সম্প্রতি একটি গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করেছে এয়ারবাস। ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নতুন চালু করা গবেষণা কেন্দ্রটি জিয়াংজি নদীর ডেল্টা অঞ্চলে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠিত, উচ্চসক্ষমতার এভিয়েশন ও হাইড্রোজেন প্রযুক্তির সুবিধা নিতে পারবে। কেন্দ্রটিতে উৎপাদনসংক্রান্ত উদ্ভাবন, হাইড্রোজেন অবকাঠামো, কেবিন এক্সপেরিয়েন্স এবং নতুন প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করা হবে।
প্রতিবেদন বলছে, ক্রমবর্ধমান এশিয়ার বাজারে ফ্রান্সভিত্তিক এয়ারবাস ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বোয়িংয়ের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। চীনে উৎপাদন দ্বিগুণ করার উদ্দেশ্যে কয়েকদিন আগে দ্বিতীয় কারখানা চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। এয়ারবাসের কারখানা চীনের তিয়ানজিন শহরে অবস্থিত। সেখানে ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ নতুন কারখানার কার্যক্রম শুরু হবে। তিয়ানজিনে এয়ারবাসের প্রথম কারখানা স্থাপিত হয়েছিল ২০০৮ সালে। বর্তমানে প্রতি মাসে চারটি এ৩২০ মডেলের জেট তৈরি হচ্ছে কারখানাটিতে। চলতি বছরেই এ সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সংস্থাটি।
এয়ারবাসের নতুন গবেষণা কেন্দ্রের বিষয়ে সংস্থাটির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা সাবিন ক্লাউকে বলেন, ‘চীনে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অনেক উন্নত প্রযুক্তিগত সুবিধা পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে গবেষণা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে।’
ক্লাউকে আরো বলেন, ‘টেকসই এভিয়েশন বির্নিমাণের লক্ষ্যে কাজ করছে এয়ারবাস। এ লক্ষ্য পূরণে বিভিন্ন অংশীদারের সঙ্গে কাজ চলমান। বিশেষ করে প্রযুক্তির বিকাশ, বিভিন্ন সম্ভাবনা আবিষ্কার, বিকল্প জ্বালানি সংস্থান এবং হাইড্রোজেন ইকোসিস্টেম উন্নয়নে চীনের সঙ্গে কাজ করছে সংস্থাটি।’
এয়ারবাসের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন কারখানাটির উদ্বোধন এয়ারবাসের চীনে উন্নয়ন ও বিনিয়োগের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতিকে পুনরায় নিশ্চিত করেছে। নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে চীনের প্রতি প্রতিষ্ঠানটির আস্থার প্রকাশ ঘটেছে। পাশাপাশি এর ফলে দেশটিতে কোম্পানির অবস্থানও আরো জোরালো হয়েছে।
-B










