এয়ারলাইনগুলো ইসরায়েলিদের বিশ্বকাপে আনতে রাজি নয়

কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে প্রথম থেকেই ঝামেলায় পড়েছেন ইসরায়েলের সমর্থকরা। কেননা রাজনৈতিকভাবে বৈরি সম্পর্কের কারণে দুদেশের বেশ কয়েক জায়গা অমিল রয়েছে।
এরই মধ্যে নতুন খবর এলো, ইসরায়েল থেকে কাতারে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনা করতে রাজি হচ্ছে না কোনো এয়ারলাইন কোম্পানি। এমনই অভিযোগ করেছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তবে গত সপ্তাহেই ইসরায়েল ও ফিফা এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসরায়েল থেকে সরাসরি ফ্লাইটের অনুমতি দিয়েছে কাতার সরকার। যদিও এই দুদেশের মধ্যে কূটনৈতিক কোনো সম্পর্ক নেই। তবে আয়োজক হওয়ায় ও ফিফার নির্দেশক্রমে দোহা ইসরায়েলি সমর্থকদের বিশ্বকাপ দেখার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।
এ বিষয়ে ইসায়েলের ন্যাশনাল পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি ডিরেক্টোরেট হেড লিরো হাইয়াত বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল থেকে কাতারে সরাসরি উড়ে যেতে প্রাইভেট কিছুই এয়ারলাইনসকে অনুরোধ করেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেউই সেই বিকল্পটি ব্যবহার করেনি।’
ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশটির রাজধানী তেল আবিব থেকে সাইপ্রাসের লারনাকায় সাইপ্রিয়ট টাস এয়ারওয়েসের মাধ্যমে একটি ফ্লাইট চালু করেছে। সেখান থেকে পরে কাতার যাওয়া যাবে। তবে মাঝে এই প্লেন বেশ কিছু সময় লারনাকায় অপেক্ষা করবে।
এদিকে ফিফা ও কাতার জানিয়েছে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ফ্লাইটে উড়ে যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। তবে বাস্তবে এটা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে ধারণা করা হচ্ছে।
কিন্তু ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনিদের থেকে সেখান থেকে কাতারে উড়ে যাওয়ার কোনো প্রস্তাব পায়নি। যদিও ফিলিস্তিনিদের সাধারণত বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দরে প্রবেশাধিকার দেওয়া হয় না।বরং তারা আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য জর্ডান ভ্রমণ করে।
এর আগে কাতার বিশ্বকাপের টিকিট কাটতেও ঝামেলায় পড়েছিল ইসায়েলের ফুটবল ভক্তরা। তাদের ফিলিস্তিনি স্লটে টিকিট কাটার কথা বলা হয়েছিল।
-B










