জাপানের আকাশে চোখ বিমানের

কানাডার পর জাপানের আকাশে পাখা মেলার পরিকল্পনা সাজাচ্ছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
সম্প্রতি বিদেশি পর্যটকদের জন্য জাপানকে উন্মুক্ত ঘোষণা করায় এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথ খুলছে। বিমানের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় এবং এশিয়ার অন্য অঞ্চলগুলোর সঙ্গে আকাশপথে যোগাযোগের পথ খুলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, জাপানের নারিতায় ফ্লাইট চালু করতে কয়েক বছর ধরেই চেষ্টা চালিয়ে আসছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। পরবর্তিতে ফ্লাইট শুরুর বিষয়ে জাপান সরকারের অনুমোদনও পায় সংস্থাটি। তবে করোনাভাইরাসজনিত বিধিনিষেধের কারণে এতদিন তা আটকে ছিল।
এদিকে জাপানে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে বিমানকে ফিফথ ফ্রিডম সুবিধাও দিয়েছে দেশটি। অর্থাৎ ঢাকা ও নারিতার মধ্যবর্তী একটি বিমানবন্দর থেকে যাত্রী নিয়েও এই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করা যাবে। বিমানের আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী জাপান এয়ারের সঙ্গে কোড শেয়ার চুক্তিতে যাওয়ার কথা সংস্থাটির।
দুটি এয়ারলাইন্সের মধ্যে এ ধরনের চুক্তি থাকলে একজন যাত্রী কোনো একটি এয়ারলাইন্সের টিকিট কেটেই অন্য এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে নির্দিষ্ট গন্তব্যে যেতে পারেন। বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারলাইন্স এ ধরনের চুক্তির ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করলেও এটিই হবে বাংলাদেশের প্রথম উদ্যোগ।
জানা যায়, বিমানের বহরে লম্বা দূরত্বে উড়তে সক্ষম অন্তত ১০টি উড়োজাহাজ থাকলেও রুট না থাকায় দীর্ঘদিন ধরেই সেগুলোর সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ছয়টি বোয়িং ৭৮৭ ও চারটি বোয়িং ট্রিপল ৭৭৭ মডেলের উড়োজাহাজ। এর প্রত্যেকটি টানা ১৬ ঘণ্টা উড়তে সক্ষম। ঢাকা থেকে সরাসরি আকাশপথে নারিতা যেতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা। ফলে সহজেই বিমানের পক্ষে এ রুট পরিচালনা করা সম্ভব।
এ প্রসঙ্গে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক যাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, এ রুটে ফ্লাইট অপারেশনের কাজগুলো এগিয়ে চলছে। তবে কবে নাগাদ এ রুট শুরু হবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। এটা আমাদের তালিকার মধ্যে আছে।
-B










