শাহজালালে মশা নিয়ন্ত্রণে আগে থেকেই ব্যবস্থা নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মশা নিয়ন্ত্রনে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবার আগে থেকেই মশা নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে।
অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বিব্রতকর পরিস্থিতি এড়াতে এবার আগে থেকেই মশা নিয়ন্ত্রণে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়ে কর্তৃপক্ষ বলেন, মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বছর জুড়েই প্রতিদিন সকালে লার্ভিসাইড (মশার লার্ভা ধ্বংসের ওষুধ) স্প্রে করা হয় বিমানবন্দরে। বিকাল থেকে মেলাথিয়ান, ল্যাম্বাডা সাইহলোথ্রিন (রীভা) ২.৫ ইসি এর মাধ্যমে ইনসেক্টিসাইড স্প্রে ও ফগিং করা হয়। তবে আশেপাশের এলাকা পরিষ্কার না থাকায় বিমানবন্দরে ওষুধ দিয়েও সুফল মেলেনি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ না থাকায় দেশের প্রধান বিমানবন্দরে মশার উৎপাত ছিল অসহনীয়।
এবার কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরোশনের গাইড লাইন ও কীটতত্ত্ববিদদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রাকৃতিক পদ্ধতিও অনুসরণ করা হচ্ছে।
বিমানবন্দরের ভেতরে ও বাইরের জলাশয়গুলোতে ছাড়া হয়েছে গাপ্পি মাছ। বিমানবন্দরের বিভিন্ন জায়গায় গাঁদা ফুল ও তুলসি গাছ লাগানো হয়েছে বিগত কয়েক মাস ধরে।এছাড়া টার্মিনালে প্রবেশের গেটগুলোতে সন্ধ্যায় ধুপ জ্বালানো হয়। গেটগুলোতে বসানো আছে মশা মরার যন্ত্র। বিমানবন্দরের আশেপাশের এলাকার কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে করা হচ্ছে ঝোপ, জলাশয় পরিষ্কারের কাজ।
বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন কামরুল ইসলাম বলেন, মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কিটতত্ত্ববিদদের পরামর্শ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সব কার্যক্রম সিডিসি এবং ডিএনসিসি নির্দেশিকা অনুযায়ী করা হচ্ছে।
-B










