‘চ্যালেঞ্জের মুখে বিমান শিল্প’
বৈশ্বিক সংকটে দেশের অ্যাভিয়েশন খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের কথা যদি বলি, মূল চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ফুয়েল। কমদামে ফুয়েল পাওয়াটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। যেটা বললাম, প্রতি বছর ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ছে কাজেই কমদামে ফুয়েল সরবরাহ করাটা এই মুহূর্তে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ।’
শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘দেশের অ্যাভিয়েশন ও পর্যটন খাতের মাধ্যমে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ’ শীর্ষক সেমিনারের মূল প্রবন্ধে বেবিচক চেয়ারম্যান এসব তথ্য তুলে ধরেন। অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের (আটাব) আয়োজনে চলমান আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলার অংশ হিসেবে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ১ ডিসেম্বর শুরু হওয়া এই মেলা শেষ হবে ৩ ডিসেম্বর।
এভিয়েশন শিল্পে বাংলাদেশের বিভিন্ন সফলতার বিষয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার দূরদর্শী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে দেশে এভিয়েশন খাত প্রতিষ্ঠায় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের এভিয়েশন উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। বর্তমানে এভিয়েশন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আর্থ সামাজিকভাবেও বিমান খাত উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে।’
মফিদুর রহমান বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বিমান ও পর্যটন খাতের যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নতি করেছে। বাংলাদেশেরও সময় এসেছে এ খাতকে যথাযথভাবে ব্যবহার করার। বাংলাদেশে এখন ৫২টি বিমান সেবা রয়েছে, ৩০টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার রয়েছে, ১১টি কার্গো এবং ৪টি এয়ারবাস রয়েছে। বিদেশি কয়েকটি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে আসতে চাইছে। কিন্তু জায়গার সংকট থাকায় সেটা আমরা এখন নিতে পারছি না। এরইমধ্যে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে আমরা টার্মিনাল প্রশস্ত করার কাজ করছি।’
সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোকাম্মেল হোসেন, নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি, এমিরেটসের কান্ট্রি ম্যানেজার মোহাম্মদ আলহাম্মাদি, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহির মোহাম্মদ জাবের ও আটাবের সভাপতি এস. এন. মঞ্জুর মোর্শেদ (মাহবুব) প্রমুখ।
-B










