ইউরোপে রাজনৈতিক আশ্রয় পাবে না বাংলাদেশীরা

বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকরা ইউরোপে রাজনৈতিক আশ্রয় পাবে না। তাদের অর্থনৈতিক অভিবাসী হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ধরনের অভিবাসীদের ঠেকাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একইসাথে অবৈধ অভিবাসীদের ইউরোপ ছাড়তে বাধ্য করতে ইইউ চাপ প্রয়োগ করবে।
শেনগেন ভিসা ইনফো ডটকমের এক প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের ক্রমবর্ধমান হার ঠেকাতে ইইউ সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অভিবাসীদের দিকে বিশেষ নজর দেয়া হবে।
নিজ দেশে নির্দিষ্ট কোনো ঝুঁকি ছাড়াই যারা অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যে ইউরোপে অবৈধভাবে এসেছে, তাদের অর্থনৈতিক অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। আরো সুনির্দিষ্টভাবে বললে, বাংলাদেশ, তুরস্ক ও তিউনিসিয়া থেকে অবৈধভাবে আসা মানুষদের অর্থনৈতিক অভিবাসী হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং তারা ইইউ সদস্য রাষ্ট্রগুলোতে আশ্রয় পাওয়ার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবে।
সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে ইইউ বুলগেরিয়া ও রোমানিয়ায় দু’টি পাইলট প্রকল্প হাতে নেবে। প্রথম প্রকল্পে টহলযান, ক্যামেরা, ওয়াচটাওয়ার এবং ইলেকট্রনিক নজরদারির একটি প্যাকেজ ব্যবহার করা হবে। দ্বিতীয় প্রকল্পে আশ্রয় প্রার্থনার জন্য আবেদন ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা হবে।
অনেক ইইউ সদস্য রাষ্ট্র সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বা ব্যারিকেড নির্মাণের জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। তবে এই খাতে এখনই ইইউয়ের তহবিল ব্যবহার করা হবে না। এর বিকল্প হিসেবে ইউরোপীয় কমিশন ইলেকট্র্রনিক নজরদারির পাশাপাশি আকাশ থেকে নজরদারির পদক্ষেপ নেবে। অবৈধ অভিবাসনের জন্য বহুল ব্যবহৃত বুলগেরিয়া-তুরস্ক সীমান্তে আরো বেশি সিসিটিভি বসানো হবে।
-B










