মাঝ আকাশে ক্রুকে কামড়-অতঃপর জরুরি অবতরণ

মাঝ আকাশে বিমানসেবকের হাতে কামড়ে দিলেন যাত্রী। আর তারপরেই হূলস্থূল। বাধ্য হয়ে তড়িঘড়ি রুট বদলে অবতরণ করলেন পাইলট।
জানা গেছে, তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি প্লেন (ফ্লাইট TK-56) ইস্তাম্বুল থেকে জাকার্তার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎই কেবিনে একজন যাত্রী ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টের আঙুল কামড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটে। অভিযুক্ত যাত্রীকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। ৪৮ বছর বয়সী এই ব্যক্তি ইন্দোনেশিয়ার একজন নাগরিক মোহাম্মদ জন জায়েজ বোদেউইজন। তিনি তুরস্কে ব্যক্তিগত সফর শেষে জাকার্তায় ফিরছিলেন।
জাকার্তায় পৌঁছানোর আগে প্লেনটিকে মেদান বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছিল। যাত্রীটিকে বাটিক এয়ারের একজন পাইলট বলে মনে করা হচ্ছে যিনি একটি দায়িত্ব পালন শেষে দেশে ফিরছিলেন ছুটি কাটাতে।
ফ্লাইট কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে অভিযুক্ত যাত্রী নেশাগ্রস্ত ছিলেন এবং আক্রান্ত ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট তাকে শান্ত করতে গিয়েছিলেন।
হতবাক যাত্রী এবং অন্যান্য ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্টরা তখন ক্ষতিগ্রস্ত সহযোগীকে সাহায্য করতে ছুটে আসেন। অন্য একজন ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট যাত্রীকে বসানোর চেষ্টা করলে তাকেও লাথি মারা হয়। এয়ারম্যানও পাল্টা লাথি মারে। ফলে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। প্লেনের ভিতরে গোলমাল বেড়ে যায়, ফলে পাইলটকে স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় জাকার্তায় পৌঁছানোর পরিবর্তে মেদানের কুয়ালানামু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বাধ্য করে।
প্রসঙ্গত, এ দিকে এই ঘটনা নিয়ে বেশ হুলস্থূল শুরু হয়েছে দেশটিতে। প্লেনের যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়েও অনেকে তুলেছেন প্রশ্ন। ওই প্লেনের শেষ খবরে জানা গেছে যে, তুর্কি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় রাত ৮টায় জাকার্তায় পৌঁছায়। জাকার্তা মেট্রো পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেছেন, “প্লেনে গোলযোগের কারণে, ইন্দোনেশিয়ান যাত্রীকে কুয়ালানামু বিমানবন্দরে মেদানে নামিয়ে দেয়।” আহত এয়ারম্যানকে কুয়ালানামু হেলথ ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।
-B










