মে মাসে ৫০টি উড়োজাহাজ ডেলিভারি বোয়িংয়ের
উড়োজাহাজ বিক্রি বেড়েছে মার্কিন জায়ান্ট বোয়িংয়ের। মে মাসে গ্রাহকদের কাছে ৫০টি উড়োজাহাজ ডেলিভারি দিয়েছে তারা, যা গত বছরের একই মাসের চেয়ে ৪৩ শতাংশ বেশি। অবশ্য প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাসের চেয়ে ডেলিভারি ১৩টি কম ছিল।
বোয়িং জানায়, গত মে মাসে ৭৩৭ ম্যাক্স জেট ডেলিভারি করেছে ৩৫টি। আগের মাসে ডেলিভারির আগে বিমানে ত্রুটি ধরা পড়ায় কোম্পানিটি মাত্র ১৭টি ম্যাক্স হস্তান্তর করতে পেরেছিল। এছাড়া বোয়িং আটটি প্রশস্ত বডির ৭৮৭ ড্রিমলাইনার, তিনটি ৭৬৭ কার্গো, তিনটি ৭৭৭ কার্গো ও একটি ৭৩৭ ডেলিভারি দিয়েছে।
আগামী সপ্তাহে প্যারিস এয়ার শোতে এভিয়েশন খাত সংশ্লিষ্টদের জড়ো হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে বোয়িং ও এয়ারবাস উভয়ই বড় অংকের ক্রয়াদেশ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার আগেই বোয়িংয়ের মাসিক ক্রয়াদেশ ও ডেলিভারির উপাত্ত প্রকাশিত হয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিটভিত্তিক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ, উভয় উড়োজাহাজ নির্মাতাই সরবরাহ চেইন সংকট সামাল দিতে লড়াই করছে।
মে মাসের শেষের দিকে বোয়িংয়ের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা ব্রায়ান ওয়েস্ট বলেছেন, তারা পুনরায় কাজ করে ৭৩৭ ম্যাক্স ডেলিভারি দিতে শুরু করেছেন। কোম্পানিটি আশা করছে, দ্বিতীয়ার্ধে মাসিক ৩০-৪০টি করে ৭৩৭ ম্যাক্স ডেলিভারি হবে।
বোয়িং মে মাসে মোট ৬৯টি ক্রয়াদেশ পেয়েছে। যার মধ্যে ৫৯টি ম্যাক্স ও ১০টি ড্রিমলাইনার রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ক্রয়াদেশ বাতিল হয়ে গেছে। বাতিল হওয়া ক্রয়াদেশের মধ্যে এয়ার নিউগিনির চারটি ৭৩৭ ম্যাক্স, হংকং ইন্টারন্যাশনাল এভিয়েশনের ছয়টি ৭৭৭ মালবাহী ও অজ্ঞাত ক্রেতার একটি ৭৭৭-৩০০ইআর রয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম ৫ মাসে বোয়িং ২০৬টি উড়োজাহাজ ডেলিভারি দিয়েছে, যা প্রতিদ্বন্দ্বী এয়ারবাসের চেয়ে কম। এয়ারবাস একই সময়ে ২৪৪টি ডেলিভারি দিতে সক্ষম হয়েছে। এয়ারবাস যেখানে ১৪৪টি নিট ক্রয়াদেশ পেয়েছে, সেখানে বোয়িংয়ের নিট ক্রয়াদেশ ছিল ১২৭টি।
-B










