ফ্লাইট সমস্যা কাটছে না ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের

ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্বজনিত সমস্যা কাটছে না ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের। ব্যাংক ছুটিকে সামনে রেখে শুক্রবার (২৬ মে) হিথ্রো বিমানবন্দরে ব্যস্ততা বাড়ার কথা থাকলেও দেখা গেছে বিপরীত চিত্র। বেড়েছে ফ্লাইট বাতিল ও বিলম্ব হওয়ার সম্ভাবনা। একদিকে প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও অন্যদিকে নিরাপত্তাকর্মীদের আন্দোলন পরিস্থিতিকে আরো প্রতিকূলে দাঁড় করিয়েছে।
হিথ্রো এয়ারপোর্টে কমপক্ষে ৫০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে সম্প্রতি। ১ ঘণ্টারও বেশি সময় বিলম্বিত হয়েছে বিপুলসংখ্যক অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট। উড়োজাহাজ পরিষেবা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে যাত্রীরা যেন ফ্লাইট বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে রওনা হন।
প্রকাশিত বিবৃতিতে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতাকে কারণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। চেষ্টা করা হচ্ছে সাধ্যমতো মীমাংসার। যেহেতু অনেক ফোনকল আসছে, ফলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফ্লাইটের সময় না থাকলে যোগাযোগ না করার অনুরোধ করা হয়। এদিকে টুইট করে বলা হয়েছে, ‘অধিকাংশ ফ্লাইটই ঠিকঠাক চলাচল করছে। সাময়িক সীমাবদ্ধতার কারণে হিথ্রো বিমানবন্দরের কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে মাত্র। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।’
বিড়ম্বনার সূত্রপাত মূলত হিথ্রো বিমানবন্দরে কর্মীদের ৩ দিনব্যাপী আন্দোলনের ঘটনায়। আন্দোলনকারীরা ইউনাইট ইউনিয়নের সদস্য। শুক্রবারে বিমানবন্দর ব্যস্ত থাকার কথা থাকলেও তা হয়নি। আন্দোলনের সঙ্গে প্রযুক্তিগত কোনো সমস্যা যুক্ত না। তার পরও প্রভাব দৃশ্যমান। গ্রাহকদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের অধিকাংশ ফ্লাইটই বাতিল হয়েছে গত বৃহস্পতিবার রাতে। ব্রিটিশ বিমানবন্দর বেশ কয়েকবার প্রযুক্তিগত ত্রুটিতে পড়েছে বিগত দিনগুলোয়। ডিসেম্বরে বাতিল হওয়া ফ্লাইটের পেছনে প্রধান কারণ ছিল প্রযুক্তিগত ত্রুটি।
তারও আগে ২০১৭ সালে প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে আটকে পড়েছিলেন প্রায় ১০ হাজার যাত্রী।
-B










