ব্রুনাইয়ের সঙ্গে ফ্লাইট চালুর প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়

বাংলাদেশের সঙ্গে ব্রুনাইয়ের সরাসরি বিমান চলাচলের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এ জন্য দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচলের চুক্তির প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভার আগামী বৈঠকে প্রস্তাবটি উত্থাপন করা হতে পারে।
এ সংক্রান্ত সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে- বাংলাদেশ ও ব্রুনাইয়ের সঙ্গে আকাশপথে সরাসরি যোগাযোগের ব্যবস্থা নেই। চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচলের সুযোগ তৈরি হবে।
ব্রুনাইয়ের সঙ্গে বিমান চলাচল চুক্তির বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল মফিদুর রহমানের সঙ্গে। কিন্তু বিদেশ অবস্থান করায় তাদের কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জানা গেছে, বর্তমানে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া বা অন্য দেশের মাধ্যমে ট্রানজিট দিয়ে ব্রুনাইয়ে যাতায়াত করতে হয়। দেশটির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ না থাকায় যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটন সম্প্রসারিত হচ্ছে না। তা ছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ব্রুনাই বাংলাদেশি কর্মীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার। সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে শ্রমিকদের অভিবাসন খরচ কমে আসবে।
দেশটির অবকাঠামো নির্মাণ খাত ছাড়াও নার্স, গৃহকর্মী, কৃষি ও প্রকৌশলী খাতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতেও আগ্রহ রয়েছে দেশটির। সরাসরি বিমান চলাচলের সুযোগ থাকলে উভয় দেশের মধ্যে যাত্রী পরিবহন সহজ হবে। তা ছাড়া জ্বালানি রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে ব্রুনাই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উৎস। তারা বিপুল পরিমাণে জ্বালানি রপ্তানি করে। তাদের মূল আয় জ্বালানি খাতে। গুরুত্বপূর্ণ এ উৎসকে কাজে লাগাতে চাইছে বাংলাদেশ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১৯ সালের এপ্রিলে ব্রুনাই সফর করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই সময় দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল। আগামী ১৪ অক্টোবর দুদিনের সফরে ঢাকায় আসতে পারেন ব্রুনাইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়া। ব্রুনাইয়ের সুলতানের সফরে সরাসরি বিমান যোগাযোগ বিষয়ে চুক্তিটি স্বাক্ষর হতে পারে।
-B










