মোখায় বিধ্বস্ত পর্যটন শহর কক্সবাজার ও প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূল ছুঁয়ে রবিবার (১৪ মে ) দুপুরে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের উপকূলীয় শহর সিত্তয়ের কাছে আছড়ে পড়ে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা।
উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ১৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। এই তাণ্ডবে মিয়ানমারের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বাংলাদেশের পর্যটন শহর কক্সবাজার ও পর্যটন দ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
ঘূর্ণিঝড় মোখার দাপটে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে যে প্রবল ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, সেই আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। অনেকে আবার প্রবাল দ্বীপ প্লাবিত হওয়ারও আশঙ্কা করেছিল। সে পরিস্থিতিতে আগেভাগেই প্রচুর মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্র এবং বিভিন্ন শিবিরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শাহিন ইমরান বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে কক্সবাজার সহ সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন দ্বীপে।
টেকনাফ উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল আলম জানান, টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ, সাবরাং, টেকনাফ পৌরসভা, সদর ইউনিয়ন, বাহারছড়া ইউনিয়নের গাছের উপর তাণ্ডব চালিয়েছে মোখা। এসব এলাকার ৩০ শতাংশ গাছ ভেঙে গেছে। এছাড়া বহু ঘর ভেঙে গেছে। এর সংখ্যা নির্ধারণে কাজ চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন বাদ দিলে টেকনাফ উপজেলায় কম হলেও এক হাজার ঘর ভেঙে গেছে।
সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা ট্রলার মালিক সমিতির সাবেক নেতা আবু তালেব জানিয়েছেন, আগে থেকে আঘাতের যে তথ্য প্রচার হয়েছে তার মতো আঘাত না হলেও দ্বীপকে ক্ষত–বিক্ষত করে দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে দ্বীপের দক্ষিণ–পূর্ব অংশে।
- -B










