রিমাল দর্শনে পর্যটকদের ভিড়

কক্সবাজার: প্রবল ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে রবিবার দুপুর থেকেই কক্সবাজারে ভীষণ উত্তাল হয়ে ওঠে সাগর। সৈকতে আছড়ে পড়ে বিশাল বিশাল ঢেউ। বেড়ে যায় পানির উচ্চতা। এমন বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও রিমাল দর্শনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি মেতে ওঠেন বহু পর্যটকও। শুধু তাই নয়, কেউ কেউ উত্তাল সাগরে গোসল করতেও নেমে পড়েন। সৈকতে বিপদের চিহ্ন হিসেবে লাল পতাকা টাঙিয়ে দেওয়া হলেও সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই কারও। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই রিমাল দর্শনে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় তাদের।
রিমালের তীব্রতা দেখতে লাবণী, সী-গাল, সুগন্ধা, ওশান বিচ ও কলাতলী পয়েন্টে পর্যটকদের ঢল নামে। অনেকেই উত্তাল সাগরে গোসলে নেমে পড়লে তাদের বারবার সাগর থেকে উঠে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য তাগাদা দিতে থাকেন জেলা প্রশাসন ও লাইফগার্ডের কর্মীরা। কিন্তু কে শোনে কার কথা! জীবনের মায়ার চেয়ে উত্তাল সাগর দর্শনই যেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাদের কাছে!
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার দুপুর ১২টা থেকেই কক্সবাজারে উত্তাল হয়ে ওঠে সাগর। বেড়ে যায় সাগরের ঢেউয়ের গর্জন। পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে বাতাসের বেগ। বিপদচিহ্ন হিসেবে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে টাঙিয়ে দেওয়া হয় লাল পতাকা। কিন্তু তারপরও নির্দেশনা না মেনে সৈকতে গোসলে নেমে পড়েন অনেকে।
সরেজমিন সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ মানুষরা সমুদ্রের পাড়ে বৃষ্টিতে ভিজছেন একটু স্বস্তির আশায়। একই সঙ্গে চলছে রিমালের তীব্রতা দর্শন। সমুদ্রের উত্তাল রূপের ছবি তুলেও রাখতে দেখা যায় অনেককে।
কথা হয় সৈকতে দায়িত্ব পালনকারী এক লাইফগার্ডের সঙ্গে। এ সময় তিনি জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। সৈকতের এক জায়গায় বাধা দিলে দূরে চলে গিয়ে আবার সাগরে নেমে পড়ছেন অনেকেই। তাদের সঙ্গে কঠিনও হওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে পর্যটকরা বলছেন, অনেক খরচা করে কক্সবাজারে এসেছেন। সাগরে গোসল করতে না পারলে টাকা গচ্চা যাবে। এ ছাড়া তীব্র গরমের হাত থেকেও স্বস্তি মিলছে সাগরে গোসল করে। দুপুর ১২টা থেকেই কক্সবাজারে উত্তাল হয়ে ওঠে সাগর। বেড়ে যায় সাগরের ঢেউয়ের গর্জন। পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে বাতাসের বেগ। বিপদচিহ্ন হিসেবে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে টাঙিয়ে দেওয়া হয় লাল পতাকা। কিন্তু তারপরও নির্দেশনা না মেনে সৈকতে গোসলে নেমে পড়েন অনেকে।
সরেজমিন সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, তীব্র তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ মানুষরা সমুদ্রের পাড়ে বৃষ্টিতে ভিজছেন একটু স্বস্তির আশায়। একই সঙ্গে চলছে রিমালের তীব্রতা দর্শন। সমুদ্রের উত্তাল রূপের ছবি তুলেও রাখতে দেখা যায় অনেককে।
কথা হয় সৈকতে দায়িত্ব পালনকারী এক লাইফগার্ডের সঙ্গে। এ সময় তিনি জানান, পর্যটকদের নিরাপত্তা দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। সৈকতের এক জায়গায় বাধা দিলে দূরে চলে গিয়ে আবার সাগরে নেমে পড়ছেন অনেকেই। তাদের সঙ্গে কঠিনও হওয়া যাচ্ছে না। অন্যদিকে পর্যটকরা বলছেন, অনেক খরচা করে কক্সবাজারে এসেছেন। সাগরে গোসল করতে না পারলে টাকা গচ্চা যাবে। এ ছাড়া তীব্র গরমের হাত থেকেও স্বস্তি মিলছে সাগরে গোসল করে।
B










