ঠাঁই নেই দশা পর্যটন শহরে

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরু থেকেই পর্যটকের ভিড়ে মুখরিত পুরো কক্সবাজার জেলা। বিশেষ করে মহান একুশে ফেব্রুয়ারি থেকে খালি নেই অধিকাংশ হোটেল-মোটেল ও রিসোর্ট। এসব হোটেলের আগাম বুকিং দিয়ে রেখেছেন ভ্রমণপ্রত্যাশীরা।
জেলা শহরের কাছেই বিশাল সমুদ্র সৈকত। বার্মিজ মার্কেট। মহেশখালীর আদিনাথ পাহাড়। কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে হিমছড়ি। মিনি বান্দরবান খ্যাত গোয়ালিয়া। উখিয়ার পাথুরে গাঁথা ইনানী সমুদ্র সৈকত ও পাটুয়ার টেকে এবং কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্ট, সুগন্ধা পয়েন্ট ও কলাতলী পয়েন্টে এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত।
এসব পর্যটনকেন্দ্র এখন নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধসহ সবার মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। পাহাড়, সমুদ্র আর প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ পর্যটকরা।
সমুদ্র বেষ্টিত জালিয়া পালং এলাকার নুরুল বশর বলেন, উখিয়ার ইনানী সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি পাটুয়ারটেকে বাড়ছে পর্যটকের সংখ্যা। কক্সবাজার কলাতলীতে সমুদ্র সৈকতে কথা হয় মোহাম্মদ ইউনুস নামে এক পর্যটকের সাথে। তিনি জানান, এখানকার পরিবেশ ও আবহাওয়া খুবই চমৎকার। তবে হোটেলের যে রুম ভাড়া ২ হাজার টাকা হওয়ার কথা সেখানে ঐ রুম ভাড়া রাখা হচ্ছে ৮ হাজার টাকা। এ দিকে কর্তৃপক্ষের নজর দেয়া উচিত বলে মনে করছেন তিনি।
সুগন্ধা পয়েন্টে কথা হয় শাওমি ও ফাহাদ দম্পতির সাথে। তারা পরিবার নিয়ে ঢাকা থেকে এসেছেন। লাভলী বলেন, আমি কক্সবাজার সমুদ্রে সুগন্ধা পয়েন্টে এসে ঘোড়ায় চড়তে চেয়েছি। ৩ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একটা রান দিয়ে এসেই ২০০ টাকা নিয়ে নিলো। আমার কাছে এটি বেশি মনে হলো। এর আগে কয়েকবার কক্সবাজারে এসেছি। সব চেয়ে বেশি ভালো লেগেছে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়ক দিয়ে উখিয়ার ইনানী সমমুদ্র সৈকত ও পাটুয়ারটেক। সেখানে নিরিবিলি পরিবেশ। পাহাড় আর সমুদ্রের মিতালি। এক অন্যরকম অনুভূতি।
চাঁদপুর থেকে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটক জুয়েল হাসান বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারির পরে ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অফিস থেকে ছুটি নিয়ে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছি। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের পাশে হোটেলে ২ দিন ২ রাত ছিলাম। এর পর টেকনাফে ২ দিন ২ রাত ছিলাম। এখানকার প্রত্যেকটি পর্যটন স্পটগুলো যে কারো মন কেড়ে নেবে। এখানে ঘুরে বেশ মজা পাচ্ছি। এখানকার নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অত্যন্ত ভালো।
-B










