যুক্তরাষ্ট্রে ফ্লাইট বাড়াচ্ছে ইতিহাদ এয়ারওয়েজ
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়াচ্ছে ইতিহাদ এয়ারওয়েজ।
এর মাধ্যমে দেশটির বিমানবন্দরে পরিষেবা কার্যক্রমও বেড়েছে বলে জানায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থাটি। যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর আমেরিকায় পরিষেবা শক্তিশালী করতে বাজেট এয়ারলাইনস জেটব্লুর সঙ্গে কোডশেয়ার অংশীদারত্বও বাড়িয়েছে সংস্থাটি।
ইতিহাদ এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, ফ্লাইট বৃদ্ধির ঘোষণাটি আগামী নভেম্বর থেকে কার্যকর হবে। কভিডের স্থবিরতা কাটিয়ে এয়ারলাইনস খাত পুনরুদ্ধার হচ্ছে এবং ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় এয়ারবাসের এ৩৫০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ফ্লাইট বাড়ানো হচ্ছে।
ইতিহাদের নতুন উড়োজাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের দুটি রুটে চলাচল করছে। দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শিকাগোর ও’হারে এবং নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমগুলো সংস্থাটির উত্তর আমেরিকায় নেটওয়ার্ক প্রসারিত করার চারটি পরিষেবার অংশ। ওয়াশিংটন ও টরন্টো অঞ্চলও এর আওতাভুক্ত রয়েছে।
ইতিহাদ এয়ারওয়েজ ২০১৪ সাল থেকে নিউইয়র্কভিত্তিক জেটব্লুর কোডশোর অংশীদারত্ব হিসেবে রয়েছে। এবং সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৪৬টি গন্তব্যে অংশীদারত্ব বাড়িয়েছে। এরই মধ্যে শিকাগো ও নিউইয়র্ক রুটের জন্য একটি কোডশোর চুক্তি রয়েছে। ওয়াশিংটন ও টরন্টো রুটে শিগগিরই এ চুক্তি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে ইতিহাদ। পাশাপাশি এয়ারওয়েজ ফ্লাইয়ার প্রোগ্রামও তৈরি করছে প্রতিষ্ঠান দুটি।
ইতিহাদ এয়ারওয়েজ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা টনি ডগলাস বলেন, আমাদের প্রধান বাজারগুলোর মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্র। সে কারণেই নিউইয়র্ক ও শিকাগো ইতিহাদের নতুন এয়ারক্রাফট এ৩৫০-এর পরিষেবার প্রথম গন্তব্যগুলোর মধ্যে ছিল।
তিনি বলেন, জেটব্লুর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমাদের অতিথিদের একটি প্রিমিয়াম ভ্রমণ অভিজ্ঞতা এবং উন্নত সংযোগ প্রদান করতে পেরে আমরা গর্বিত।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০২০ সালে কভিড-১৯ মহামারীতে এ খাত স্থবির হয়ে পড়েছিল। আমরা সেখান থেকে উড়োজাহাজে ভ্রমণের চাহিদা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছি। এ কারণে শিল্প খাতটি আবারো কভিডপূর্ব স্তরে ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। বিশেষ করে গত বছর স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে সম্পর্কিত বিধিনিষেধ এবং ফ্লাইট নিষেধাজ্ঞা বতিল করায় এটি সম্ভব হয়েছে।
এদিকে ভ্রমণের চাহিদা শক্তিশালীভাবে পুনরুদ্ধার হওয়ায় এয়ারলাইনসগুলো ২০২২ সালে তাদের লোকসান ৯৭০ কোটি ডলারে নামবে বলে আশা করছে। গত বছর এ লোকসানের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার। পাশাপাশি ২০২৩ সালে প্রত্যাশা অনুযায়ী মুনাফা অর্জন করতে পারবে বলেও আশা করছে এয়ারলাইনসগুলো। এদিকে চলতি বছরের প্রথমার্ধে ইতিহাদের মুনাফা রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। ভ্রমণের চাহিদা বাড়ায় এ রেকর্ড হয়েছে বলে জানায় এয়ারওয়েজ সংস্থাটি।
-B










