কক্সবাজারে হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া, খাবারে বাড়তি দাম

কয়েক দিনের টানা ছুটিতে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে যেন পর্যটকের ভিড় উপচে পড়ছে। আজ (৯ অক্টোবর) ঈদে মিলাদুন্নবীর (স) ছুটি থাকায় এই ভিড় আরও বেড়েছে। তবে এই সুযোগে বিভিন্ন হোটেল-মোটেল তাদের রুম ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পর্যটকরা।
পাশাপাশি বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁতেও পর্যটকদের কাছে খাবারে বাড়তি টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পর্যটক হয়রানি বন্ধে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলছে প্রশাসন। অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার কারণে একটি হোটেলকে জরিমানাও করা হয়েছে।
গত শনিবার (৮ অক্টোবর)সৈকতের লাবনী ও সুগন্ধা পয়েন্টে দেখা যায়, পর্যটকরা হইচই আর আনন্দ করে সময় পার করছে। ঢাকার মীর হাজীরবাগ থেকে আসা সাইলা, আঁখি, রাফসান জানান, তারা ছুটি উপভোগ করতে সৈকতে বন্ধুরা মিলে এসেছেন। তবে যে হোটেলে উঠেছেন সেখানে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে কথা হয় খুলনা থেকে আসা সুজাউদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, দুপুরে শহরের ভেতর আল গনি হোটেলে ভাত খাওয়ার পর বিল দিতে গিয়ে থমকে যাই। সেখানে এক টুকরো ইলিশ মাছের দাম রাখা হয়েছে ৩০০ টাকা করে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পর্যটন সেল থেকে জানানো হয়, পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কারণে অভিসার নামে একটি হোটেলকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
কক্সবাজার হোটেল, গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম শিকদার বলেন, প্রতিটি হোটেলকে বলা আছে যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করে। তার পরও যেসব হোটেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যাবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা সমিতির পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেব।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের সুপার জিল্লুর রহমান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তায় আমরা বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের মোবাইল টিম কাজ করছে।
জেলা প্রশাসক মামুনুর রশীদ বলেন, টানা ছুটিতে যেসব পর্যটক কক্সবাজারে এসেছে তাদের নানা বিষয় জেলা প্রশাসন থেকে দেখা হচ্ছে। আমাদের তিনটি মোবাইল টিম সার্বক্ষণিক পর্যটন এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে।
-B










