করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের শঙ্কা!

দেশে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে করোনার আরেকটি ঢেউ (চতুর্থ) আসতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই সংক্রমণ কমায় স্বাস্থ্যবিধি পালনে শিথিলতার কোনো অবকাশ নেই, বরং স্বাস্থ্যবিধি পালনে সবার আরও সচেতন হওয়া প্রয়োজন বলেও মত দিচ্ছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
এর আগে দেশে তিন দফায় করোনার ঢেউ উঠেছিল। চীন, কোরিয়াসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে নতুন করে করোনাভাইরাসের ঢেউ উঠেছে।
করোনা সংক্রমণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা ভাইরাস বিভিন্ন দেশে কমে গিয়ে কিছুদিন পর আবার বাড়ে। সাধারণত তিন মাস পর পর করোনার একেকটা ঢেউ আসে। পাশাপাশি করোনার নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্টের কারণে সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে পারে।
বর্তমানে দেশে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি প্রসঙ্গে আইইডিসিআরের উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, দেশে এই মুহূর্তে সংক্রমণ সব থেকে কম রয়েছে। তবে সংক্রমণ শেষ হয়ে গিয়েছে এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আমরা দেখেছি, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ কমে গিয়েছিল, সেখানে আবার সংক্রমণ বাড়ছে। সাধারণত সব দেশেই তিন মাস পর পর করোনার ঢেউ দেখা যায়। আমাদের দেশেও আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে করোনার আরেকটি চতুর্থ ঢেউ আসার আশঙ্কা রয়েছে। আবার করোনার নতুন কোনো ভ্যারিয়েন্টের (ধরণ) কারণেও সংক্রমণ দ্রুত বাড়তে পারে। নতুন ভ্যারিয়েন্ট না এলেও সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতির প্রবণতা রয়েছে।
বর্তমানে করোনা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও ভবিষ্যতে আমরা কীভাবে আরও বেশি সুরক্ষিত থাকতে পারি জানতে চাইলে ডা. মুশতাক হোসেন আরও বলেন, আমাদের অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। মাস্ক পরা এবং হাত ধোয়া আমাদের শুধুই করোনা থেকে নয়, অন্যান্য রোগ থেকেও সুরক্ষা দেবে।
-B










