পাঁচ দেশ আগ্রহী শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে।
প্রকল্প-সংশ্নিষ্টরা বলছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ নির্মাণ শেষে চালু হবে টার্মিনালটি।
এদিকে, বিদেশিদের হাতে যাচ্ছে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং কার্যক্রম। শুধু গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং নয় পর্যায়ক্রমে পুরো টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে ছেড়ে দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচকের) পরিচালনা পর্ষদ। ১১ আগস্ট বেবিচকের ২৮১তম বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
ইতিমধ্যে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের কাজ পেতে বেশ কয়েকটি দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে। জাপান, যুক্তরাজ্য, কানাডা, দক্ষিণ কোরিয়া ও সুইজারল্যান্ড প্রস্তাবনা দিয়েছে বলে জানা গেছে। যদিও বিষয়টি এখনও পর্যালোচনা পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেবিচক সূত্র।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেবিচকের একজন কর্মকর্তা বলেন, যে কোন বিমানবন্দরের আয়ের অন্যতম উৎস গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে শাহজালাল বিমানবন্দরের সক্ষমতা বেড়ে দ্বিগুণ হবে এবং এ থেকে বছরে দেড় হাজার কোটি টাকা আয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদেশি সংস্থা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেলে সে অর্থ সরকারের হাতছাড়া হবে।
বিভিন্ন সূত্র জানায়, গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের জন্য বাংলাদেশ বিমানের পর্যাপ্ত জনবল ও যন্ত্রপাতির ঘাটতির সাথে রয়েছে নানাবিধ অভিযোগ। যাত্রীদের লাগেজ চুরি, হয়রানিসহ নানা অভিযোগ বাড়ছেই। এ কারণে বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড ও কার্গো হ্যান্ডেলিংয়ের দায়িত্ব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্সকে তৃতীয় টার্মিনালের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে না- তা মোটামুটি নিশ্চিত।
-B










