হজযাত্রী পরিবহনের অনুমতি পেল ফ্লাইনাস

দীর্ঘ ১০ বছর পর সউদী আরবের এয়ারলাইন ‘ফ্লাইনাস’ বাংলাদেশি হজযাত্রীদের পরিবহনের অনুমতি পেয়েছে। এ বছর থেকে সউদীয়া ও বিমানের পাশাপাশি তৃতীয় ক্যারিয়ার হিসেবে সেবা দেবে ফ্লাইনাস। গত শুক্রবার এক চিঠিতে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ অনুমোদন দিয়েছে।
করোনা সংকট কাটিয়ে দুবছর পর উন্মুক্ত হওয়া হজে বাংলাদেশ থেকে এ বছর ৫৭ হাজার ৮৫৬ জন যেতে পারবেন। সৌদি সরকারের চুক্তি অনুযায়ী, যাত্রীদের ৫০ শতাংশ বহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আর বাকী অর্ধেক সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স (সাউদিয়া)। এবার সৌদি আরবের অংশের ৫০ ভাগ যাত্রীতে সাউদিয়ার সঙ্গে ভাগ বসাবে ফ্লাইনাস। তবে তাদের অনুপাত কেমন হবে সেটি জানায়নি সৌদি।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে সর্বশেষ হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা। এবার শুধুমাত্র জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এয়ারলাইন্সগুলোর ঢাকা থেকে জেদ্দা-মদিনা রুটে আসা-যাওয়ার ভাড়া ৭৫ থেকে ৭৭ হাজার টাকা।
হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) দীর্ঘদিন ধরেই হজ ফ্লাইট পরিচালনার জন্য তৃতীয় ক্যারিয়ারের জন্য দাবি জানিয়ে আসছে। কেননা, সউদী আরবে যাতায়াতে বিদ্যমান ব্যবস্থায় হজযাত্রীদের বেশি খরচ হচ্ছে।
বাংলাদেশ ও সউদী আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত হজ চুক্তি অনুযায়ী ২০১২ সাল থেকে কেবলমাত্র বিমান ও সউদীয়া বাংলাদেশের হজযাত্রীদের পরিবহন করছে।
এরপর থেকেই প্রতিষ্ঠান ২টি ভাড়ার ক্ষেত্রে একচেটিয়া সুবিধা ভোগ করে আসছে। হজযাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন হাব ও অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশের নেতারা।
হাব সভাপতি এম শাহাদাত হোসেন তসলিম সংবাদমাধ্যমকে জানান, হজ যাত্রী পরিবহনে আরেকটি এয়ারলাইনকে অনুমতি দেওয়ায় তারা খুশি। এর মাধ্যমে হজযাত্রীরা আরও ভালো সেবা পাবেন এবং তাদের খরচ কমবে।
তিনি বলেন, ‘হজযাত্রীরা এখন বিমান ও সউদীয়া ছাড়াও সউদী আরবে যেতে বিকল্প একটি এয়ারলাইন ব্যবহার করতে পারবে। এতে করে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে টিকিট বিক্রি হবে।’
-B










