পর্যটকে মুখরিত গাবরাখালী গারো পাহাড় পর্যটনকেন্দ্র

অপার সৌন্দর্যে ঘেরা গারো হিল পর্যটনকেন্দ্র। চারপাশে সমতল বেষ্টিত পাহাড়, পাখিদের কোলাহল আর দৃষ্টিন্দন পানির দৃশ্য যেন শীতল করে দেয় মনকে। এখানে প্রতিনিয়ত পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে। এ বছর দূরদুরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করেছে এই গারো হিল পর্যটনকেন্দ্র।
শিক্ষা সফর, পারিবারিক ভ্রমণ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক বনভোজনের বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, অটো, মোটরসাইকেল যোগে আসা পর্যটকরা ভীড় জমাচ্ছে এই পিকনিক স্পটে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন গড়ে ৫০-৭০টি বাস, কয়েক শ’ মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার যোগে ৭/৮ হাজার ভ্রমণ পিপাসু ব্যক্তিদের আগমন ঘটে এখানে।
ভারতের মেঘালয়ের কোল ঘেঁষে তৈরি করা হয়েছে গাবরাখালী গারো পাহাড় পর্যটনকেন্দ্র। ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই পিকনিক স্পটে সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের কিছু অংশ দেখা যায় পাহাড়ের উপর থেকে। স্পটটি তৈরি হওয়ায় এই এলাকার অনেক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
এখানে আছে পিকনিক স্পট, প্যাডেল বোট, শিশু পার্ক, ন্যাচারাল পার্ক, গারো জাদুঘর, রেষ্ট হাউজ, প্রদর্শনী খামার, কাঠের ব্রিজ, কানেকটিং ব্রিজ, ফুড পার্ক, ও জারামবং, ফ্রিংতালসহ পাহাড়ে উপরে বিনোদনপ্রেমীদের বিশ্রামস্থল।
১২৫ একর এলাকা জুড়ে ছোট-বড় ৬৭টি পাহাড় নিয়ে গঠিত পর্যটন কেন্দ্রটির পাহাড়গুলো প্রায় ৭০ ফুট থেকে ২০০ ফুট উচু। যার উপর থেকে দেখা মেলে ইন্ডিয়ান বর্ডার ও মেঘালয়ের উঁচু উঁচু পাহাড়।
পাহাড়গুলোর রয়েছে বাহারী নাম চিতাখলা টিলা, যশুর টিলা, মিতালী টিলা, বাতাসী টিলা ইত্যাদি। গারো পাহাড়ের ধ্যানমগ্ন প্রতিমূর্তি সৌন্দর্য পিপাসুদের মন কেড়ে নেয়। ঐতিহ্যবাহী গারো পাহাড়ের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মুগ্ধ করে সকল বয়সের মানুষকে। বাইরের এলাকা থেকেও পর্যটকরা আসেন এই প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করার জন্য।
পার্কটি হওয়ায় এই এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে খাস জমির ওপর নির্মিত হওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায় হচ্ছে।
-B










