নোবিপ্রবির ময়না দ্বীপে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে অতিথি পাখি

নোয়াখালী : প্রকৃতিতে এখন শীত চললেও অতিথি পাখিদের কলরবে ক্যাম্পাস জুড়ে যেন বসন্তের আমেজ। শীত আসতে না আসতেই ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসতে শুরু করেছে উপকূলের বিদ্যাপীঠ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে। ক্যাম্পাসও যেন সাজছে নতুন রূপে। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে ময়না দ্বীপ যেন সৌন্দর্য উপভোগের তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে।
চারিদিকে পাখির কলকাকলি। কখনো মুক্ত আকাশে উড়ে বেড়ানো আবার কখনো দলবেঁধে পানিতে জলকেলিতে মত্ত থাকা এসব অতিথি পাখি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন প্রকৃতি ও পাখিপ্রেমীরা। কেউবা ছবি তুলছেন আবার কেউবা ভিডিও ফুটেজ নিয়ে শেয়ার করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের এমন দৃশ্য এখন বলা চলে নিত্যদিনের।
অতিথি পাখির কলকাকলি উপভোগ করতে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ শিক্ষার্থীরাই শুধু নয়, আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকেও সৌন্দর্যপ্রেমীরা এখানে আসেন। ময়নাদ্বীপের পাশে শান্তিনিকেতনে শিক্ষার্থীদের গানের আসর বসে। পাখির কিচিরমিচির শব্দ সে গানের আসরকে করে আরো প্রাণবন্ত। ব্যস্ত ক্যাম্পাস জীবনের মধ্যে একটা বিরাম পেতে প্রতিদিনই হাজির হয় শত শত শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ময়না দ্বীপের জমি ইজারা দেয়ার ফলে বিগত বছরগুলোতে সেখানে পানি সেচ দিয়ে করা হতো চাষাবাদ। ফলে কিছুদিন থেকে আবার ফিরে যেতে হতো এসব অতিথি পাখিদের। তবে এবার এর ব্যতিক্রম। এবার ময়না দ্বীপে চাষাবাদ না করায় এখনও নির্ভয়ে দিন অতিবাহিত করছে চলতি মৌসুমে আসা অতিথি পাখিরা।

অতিথি পাখির কলকাকলি উপভোগ করতে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ শিক্ষার্থীরাই শুধু নয়, আশপাশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সৌন্দর্যপ্রেমীরা এখানে আসেন। ময়না দ্বীপের পাশে শান্তিনিকেতনে শিক্ষার্থীদের গানের আসর বসে। পাখির কিচিরমিচির শব্দ সে গানের আসরকে করে আরো প্রাণবন্ত। ব্যস্ত ক্যাম্পাস জীবনের মধ্যে একটা বিরাম পেতে প্রতিদিনই হাজির হয় শত শত শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গত বছর ময়না দ্বীপকে ধান চাষের জন্য লিজ দেওয়া হয়েছিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর লিজ বাতিল করি। যেহেতু পরিযায়ী আমাদের অতিথি তাই তাদের নিরাপদ আবাসস্থলের জন্য আমরা এরই মধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। আমরা ময়না দ্বীপকে অভয়ারণ্যে ঘোষণার পাশাপাশি একটা প্রকল্প পরিবেশ উপদেষ্টার কাছে প্রেরণ করেছি। আমরা মনে করি পরিযায়ী পাখি যদি আমাদের এই অঞ্চলে নিরাপদ মনে করে তাহলে তারা আগামীতে মেঘনার অববাহিকায় আসবে। এতে করে পরিবেশের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কেউ যেন পাখি শিকার না করে, তাদের ঢিল ছুড়ে না মারে এবং তাদের বিরক্ত না করে সেজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে।
-B










