সৈকতে গুপ্তখাল: ঝুঁকিতে হাজারো পর্যটক

পর্যটকে ঠাসা কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। এদিকে আন্দামান দ্বীপের কাছে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। তবু বেসামাল পর্যটকেরা। এদিকে সাগরের তলদেশে (পানির নিচে বালুচরে) যে মরণফাঁদ ‘গুপ্তখাল’ লুকিয়ে আছে, সেদিকে নজর নেই কারও।
গুপ্তখাল চিহ্নিত সৈকত পয়েন্টে গোসলে নামছেন হাজার হাজার পর্যটক। বালুচরে পা ফেলার জায়গা নেই। পর্যটকেরা কোমরসমান পানিতে নেমে গোসল করছেন। কেউ কেউ টায়ারের টিউবে গা ভাসিয়ে পানিতে ভাসছেন, কেউ দ্রুতগতির নৌযান জেডস্কিতে ছুটছেন গভীর জলরাশির দিকে।
সি সেফ নামের বেসরকারি লাইফগার্ড প্রতিষ্ঠানের তত্বাবধায়ক সিফাত সাইফুল্লাহ বলেন, কলাতলী থেকে লাবণী পয়েন্টে পর্যন্ত চার কিলোমিটার সৈকতে লাখো পর্যটকের নিরাপত্তায় ২৬ জন লাইফগার্ড ছাড়া অবশিষ্ট ১১৬ কিলোমিটার সৈকতে তেমন কেউ নেই। সম্প্রতি চার কিলোমিটার সৈকতের কয়েকটি পয়েন্টে সৃষ্টি হয়েছে পাঁচ-ছয়টি গুপ্তখাল। গুপ্তখাল এলাকা চিহ্নিত সৈকতে গোসলে নামছেন লাখো পর্যটক।
সি সেফ লাইফগার্ডের তথ্যানুযায়ী, গত পাঁচ বছরে চার কিলোমিটারের এই সৈকত থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬ জন পর্যটকসহ ২৫ জনের লাশ। ভেসে যাওয়ার সময় জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৫২৩ জন পর্যটককে। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নারী।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবু সুফিয়ান বলেন, লাইফগার্ডদের ডুবুরির প্রশিক্ষণ থাকলেও সাগরের তলদেশে গিয়ে ঘণ্টাখানেক সময় ডুবে থাকার সরঞ্জাম নেই। এখন পর্যন্ত সৈকতে ডুবুরি নিয়োগের সিদ্ধান্ত হয়নি।
-B










