কুয়াকাটায় হোটেল বন্ধ : বিপাকে পর্যটক
বার বার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য খাবার হোটেল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন কুয়াকাটা খাবার হোটেল মালিক সমিতি।
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) রাত ১০টায় কুয়াকাটা খাবার হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি সেলিম মুন্সি এ ঘোষণা দেন।
হঠাৎ খাবার হোটেল বন্ধের ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা।
এখানে খাবার হোটেল বন্ধ থাকায় পর্যটকরা পাঁচ কিলোমিটার দূরে মৎস্যবন্দর আলীপুরে ভিড় জমায়। পূর্ব প্রস্তুতি না থাকায় আলীপুরের হোটেলগুলো এত বেশি পর্যটকের খাবার সরবরাহ করতে পারেনি।
সাগরকন্যার মোহিনী রূপ দেখতে নাটোর থেকে পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা পর্যটক আজম আলী বলেন, সকালে নাস্তা করার জন্য বের হয়ে দেখি কুয়াকাটার সমস্ত হোটেল বন্ধ। নিরুপায় হয়ে দুইটা ছোট বাচ্চা সহ পাঁচ কিলোমিটার দূরে মৎস্যবন্দর আলীপুরে এসেছি। কিন্তু এখানে ছোট্ট হোটেলে প্রচুর ভিড়। হোটেল কর্তৃপক্ষ ঠিকভাবে খাবার সরবরাহ করতে পারছেন না। হঠাৎ এভাবে হোটেল বন্ধ করায় আমরা বিপাকে পড়েছি।
সংবাদ সম্মেলন সভাপতি সেলিম মুন্সি বলেন, 'খাবার হোটেল বন্ধ থাকলে বেড়াতে আসা মানুষ সমস্যায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসন যদি আমাদের বিষয়টি সহজ করে দেখে তাহলে আমরা হোটেল খুলে দেব।'
কুয়াকাটা খাবার হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ বলেন, আমরা কুয়াকাটায় আসা পর্যটকদের সেবা দেওয়ার মানসিকতা নিয়ে ব্যবসা করছি। করোনা মহামারির সময় কুয়াকাটায় যখন পর্যটক কম ছিল, তখনও কিন্তু আমরা হোটেল খোলা রেখেছি। তখন আমাদের লোকসান হয়েছে।
এখন পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর কুয়াকাটায় পর্যটক আসতে শুরু করেছে। আমরাও ব্যবসায় আলোর মুখ দেখছি। কিন্তু এখন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নামে আমাদের প্রতিনিয়ত হয়রানি করছে প্রশাসন। তাই অনেকটা বাধ্য হয়ে আমরা হোটেল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহম্মাদ কামাল হোসেন জানান, পর্যটকদের বিষয়টি মাথায় রেখে দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
-B










