মাঝ আকাশে মুখোমুখি ভারত-নেপালের যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর আকাশে মুখোমুখি সংঘর্ষের হাত থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছিল নেপাল এয়ারলাইন্স ও এয়ার ইন্ডিয়ার দুই উড়োজাহাজ।
এই ঘটনায় আগেই তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল নেপালের বেসামরিক বিমান পরিবহন নিয়ন্ত্রক সংস্থা- সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অফ নেপাল (সিএএএন)। ঘটনার দু’দিন পর রবিবার (২৬ মার্চ) রিপোর্ট প্রকাশ করলো ওই কমিটি।
তদন্তে দেখা গেছে, উড়োজাহাজ চলাচলের বিষয়টি যারা দেখভাল করে, সেই এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলের (এটিসি) ৩ কর্মীর কর্তব্যে গাফিলতি থাকার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটতে চলেছিল। দুই পাইলটের উপস্থিত বুদ্ধিতে বিপদ এড়ানো যায়।
সিএএএনের মুখপাত্র জগন্নাথ নিরোউলা জানিয়েছেন, ওই ৩ কর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তারা কাজে যোগ দিতে পারবেন না।
গত শুক্রবার (২৪মার্চ) সকালে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে কাঠমান্ডু যাচ্ছিল নেপাল এয়ারলাইন্সের এ-৩২০ উড়োজাহাজ । ওই একই সময়ে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরের উদ্দেশে আসছিল এয়ার ইন্ডিয়ার একটি উড়োজাহাজ। এয়ার ইন্ডিয়ার উড়োজাহাজটি ১৯ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে নিচে নামছিল। নেপাল এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটি প্রায় একই জায়গায় ১৫ হাজার ফুট উচ্চতা দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎই উড়োজাহাজ দু’টি কাছাকাছি চলে আসে। সংঘর্ষ এড়াতে নেপাল এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজটি ৭ হাজার ফুট উচ্চতায় নেমে যায়। সংঘর্ষ হলে তো বটেই, আপৎকালীন পরিস্থিতিতে পর্বতে ঘেরা বিমানবন্দরে এত কম উচ্চতায় নেমে যাওয়ায় বড় বিপদ ঘটে যেতে পারত বলে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।
এ ঘটনার পর প্রাথমিকভাবে এটিসির পক্ষ থেকে গাফিলতি থাকার কথা জানানো হয়। কেন এত কম ব্যবধানে দু’টি উড়োজাহাজকে যেতে দেয়া হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এই ঘটনায় তদন্তে নামে সিএএএন। সেই রিপোর্টই এবার প্রকাশ্যে এলো।
-B










