শুরুর আগেই শেষ আকাশপথের টিকিট

ঈদের আরও প্রায় ২ সপ্তাহ বাকি থাকলেও উড়োজাহাজের টিকিট পাচ্ছেন না সাধারণ যাত্রীরা। এবার বেশ আগেই এসব টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে বলে জানান এয়ারলাইন্স সংশ্লিষ্টরা।
ঈদের আগের ৫ দিন এবং পরের ৭ দিনের টিকিট ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশ বুকড। ফলে ঈদে আকাশ পথে উড়োজাহাজের টিকিট যেন রীতিমত সোনার হরিণ।
জানা যায়, রমজানের শুরু থেকেই ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা তাদের আগাম টিকিট অনলাইনে বুকিং দিতে শুরু করেন। ইতোমধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ সব রুটের আকাশ পথের স্বল্পমূল্যের বিমানের টিকিট শেষ। এখন নামমাত্র যেসব উড়োজাহাজের টিকিট রয়েছে সেগুলো সব উচ্চমূল্যের। ঈদে ঘরমুখো অনেক যাত্রী বলছেন, বরাবরেই মতই এবারও বেশি দামে আকাশপথের টিকিট কিনতে হচ্ছে।
বর্তমানে দেশের ৭টি অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে বাংলাদেশ বিমান, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স, নভোএয়ার ও এয়ারঅ্যাস্ট্রা। অভ্যন্তরীণ রুটগুলো হচ্ছে, ঢাকা-সৈয়দপুর, ঢাকা-রাজশাহী, ঢাকা-যশোর, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-কক্সবাজার, ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-বরিশাল। এসব অভ্যন্তরীণ রুটের মধ্যে কক্সবাজার ছাড়া অন্য রুটের ভাড়া সর্বনিম্ন ২৯৯৯ টাকা থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত।
তবে স্বল্পমূল্যের বিমানের টিকিট ইতোমধ্যে শেষ হওয়ায় এখন যে ১০ শতাংশ উড়োজাহাজের টিকিট রয়েছে, সেগুলো ৮-৯ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে যাত্রীদের বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন, একচেটিয়া ব্যবসা করছে এয়ারলাইন্সগুলো। মূলত ঈদের সময়টাকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত লাভ করতে চাচ্ছেন তারা। ঈদযাত্রায় অধিক চাহিদার সুযোগ নিচ্ছে।
বিমান বাংলাদেশের জনসংযোগ কর্মকর্তা (মহাব্যবস্থাপক) তাহেরা খন্দকার বলেন, ‘ঈদের আগের টিকিট আমাদের বিক্রি প্রায় শেষ। তবে এখনও অতিরিক্ত ফ্লাইট অভ্যন্তরীণ রুটে দেওয়া হবে কিনা সেই বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। আর আমাদের আগের ভাড়াই রাখা হয়েছে। বিমানের ভাড়া বাড়েনি।’
-B










