মোখা থেকে বাঁচতে স্থানীয়রা আশ্রয় নিয়েছেন সেন্ট মার্টিনের রিসোর্টে

অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডব ও জলোচ্ছ্বাস থেকে বাঁচতে প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের হাজার হাজার মানুষ স্থানীয় রিসোর্টগুলিতে আশ্রয় নিয়েছেন।
আজ রবিবার (১৪ মে) বিকাল ৩টা থেকে ৬টার মধ্যে টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিনের আশপাশ দিয়ে অতিক্রম করতে পারে ঝড়টি।
সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, সেখানকার ৪০টিরও বেশি রিসোর্টে ছয় হাজারেরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।
পর্যটন ব্যবসার ওপর নির্ভরশীল এই দ্বীপের বাসিন্দাদের একাংশ বিদ্যালয় ও হাসপাতালে আশ্রয় নিয়েছেন।
গত ১২ মে দুপুরে সেন্ট মার্টিনের সঙ্গে টেকনাফের নৌ-চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। এর আগে দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ এসে টেকনাফ ও কক্সবাজারের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।
সেন্ট মার্টিনে শনিবার মধ্যরাতে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি শুরু হলেও সকালে হানা দেয় দমকা হাওয়া। পাল্লা দিয়ে বাড়ে বৃষ্টি। এছাড়া উত্তাল সাগরে জোয়ারের পানি বেড়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চল জলোচ্ছ্বাসে আক্রান্ত হবে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের পিক আওয়ার হবে বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে। এই সময় কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৮ থেকে ১২ ফুট বেশি উচ্চতার জ্বলোচ্ছাসে প্লাবিত হতে পারে।
সর্বশেষ খবর অনুসারে, বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা। আজ রবিবার (১৪ মে) সকালে ঘণ্টায় ২১৫ কিলোমিটার গতির ঝড়ো হাওয়ার শক্তি নিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করেছে এর অগ্রবর্তী অংশ।
-B










