ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে যোগ হচ্ছে নতুন পথ

প্রায় ৫ দশক পর ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেলপথে বাণিজ্য শুরু হতে যাচ্ছে।
আগামী শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) থেকে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে দুই দেশের মধ্যে। ওইদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি রেলপথটি উদ্বোধন করার কথা।
স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ চালু ছিল। এ রেলপথে নতুন করে ১২ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে ডুয়েলগেজ নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে। রেলপথটির ৬ দশমিক ৭৮ কিলোমিটার পড়েছে বাংলাদেশ অংশে; এতে খরচ ধরা আছে ২৪১ কোটি টাকা। কাজটি করছে ভারতের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘টেক্সমেকো রেল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড’। প্রকল্পের কাজ দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ মহামারীসহ নানা কারণে সময়মতো শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কয়েক দফায় বাড়ানো এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয় গত জুনে।
রেলপথটি উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশকে যুক্ত করবে। ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলোতে বাণিজ্য আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের।
আখাউড়া-আগরতলা ডুয়েলগেজ রেলপথ প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাংলাদেশ অংশে কাজ প্রায় শেষ। প্রকল্পের অধীনে ১৬টি সেতু ও কালভার্টের কাজও শেষ হয়েছে। আর ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস ভবনের নির্মাণকাজের অগ্রগতি ৯৫ শতাংশ। আখাউড়া-আগরতলা রেলপথের কারণে কলকাতার সঙ্গে আগরতলার দূরত্ব কমবে প্রায় ১১০০ কিলোমিটার। প্রথমে এই রেলপথে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে। পরবর্তী সময়ে যাতায়াত করতে পারবেন যাত্রীরাও।
আরও পড়ুন: পর্যটকদের জন্য সুন্দরবনের দুয়ার খুলছে আজ শুক্রবার
আখাউড়া স্থলবন্দরের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, রেলপথটি চালু হলে সড়কপথের তুলনায় কম খরচে পণ্য পরিবহন করা যাবে। এতে দুই দেশের ব্যবসায়ীরাই লাভবান হবেন। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাইরের অনেক ব্যবসায়ী এই রেলপথে বাণিজ্যে আগ্রহী হবেন।
-B










