উড়োজাহাজ জব্দের খবর ‘বিভ্রান্তিকর' - বিমান

ঢাকাঃ চোরাচালানের স্বর্ণ বহনের অভিযোগে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজ জব্দ করার যে খবর বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রকাশ করেছে; সংবাদটি বিভ্রান্তিকর দাবি করে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বলেছে, এ বিষয়ে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তারা কোনো কাগজপত্র বা ডকুমেন্টস পাননি।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর)এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায় বিমান কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফ্লাইট বিজি-১৪৮ বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর)সকালে দুবাই থেকে চট্টগ্রাম পৌঁছায়। ফ্লাইটটি চট্টগ্রামে অবতরণের পর স্বর্ণ চোরাচালানে জড়িত সন্দেহে একজন নারী যাত্রীকে কাস্টমস গোয়েন্দা ও এনএসআই টিম আটক করে এবং কালো টেপ মোড়ানো অবস্থায় কিছু স্বর্ণবার উদ্ধার করে। সেই যাত্রীকে আটকের পর চট্টগ্রামগামী অন্যান্য যাত্রীগণকে নামার অনুমতি দেওয়া হয়। চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে যাত্রী নামানোর পরে ঢাকাগামী অন্যান্য যাত্রীদের নিয়ে ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণ করে এবং পরবর্তীতে উড়োজাহাজটি যথারীতি যাত্রী নিয়ে রিয়াদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।
এর আগে সোনা চোরাচালান নিয়ে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সোনার বারগুলো উড়োজাহাজের আসনের নিচে বিশেষ কায়দায় প্লাস্টিকের টেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল। উড়োজাহাজটির কারো সহযোগিতা ছাড়া কোনো যাত্রীর পক্ষে এভাবে সোনার বার লুকানোর কথা নয়।
গণমাধ্যমে খবর আসে, জব্দ করা বোয়িং ৭৭৭-ইআর মডেলের উড়োজাহাজটির মূল্য দেখানো হয় এক হাজার কোটি টাকা। এ ঘটনায় বিচারাদেশের জন্য নথি চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠান কাস্টমস গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. মিনহাজ উদ্দিন গণমাধ্যমে বলেছিলেন, চোরাচালানের পণ্য বহন করায় কাস্টমস আইন অনুযায়ী উড়োজাহাজটি জব্দ করা হয়েছে। এতে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসও জবাবদিহির মধ্যে আসবে।
-B










