বিমানের টিকিট ব্লকের কোনো সুযোগ নেই: এমডি

কারসাজি করে এয়ার টিকিট ব্লকের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আজিম।
কিছু ট্রাভেল এজেন্সি বিমানের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে সিট ব্লক করে এয়ার টিকিটের দাম বাড়িয়ে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কারণে পরবর্তীতে অনেক সিট খালি যায়, এমন অভিযোগ জোরালো হওয়ার প্রেক্ষিতে রবিবার (২৪ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব প্রশ্নের জবাব দেন শফিউল আজিম।
শফিউল আজিম বলেন, "বিমান ওয়েবসাইট, বিমান মোবাইল অ্যাপ, বিমান সেলস কাউন্টার, বিমান অনুমোদিত ট্রাভেল এজেন্সিসহ বিমানের টিকেট বুকিং ও ক্রয় সকল ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমে উন্মুক্ত রয়েছে।" বিমানের স্মার্ট কলসেন্টার উদ্বোধন উপলক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
বিমানে কেউ অন্যায় করলে তাকে শাস্তি পেতে হবে এবং ভালো করলে তাকে পুরস্কৃত করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
বিমানের ডিরেক্টর (সেলস এন্ড মার্কেটিং) মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এ ব্যাপারে বলেন, "আমরা যাত্রীর নাম ব্যতীত কোনো নির্দিষ্ট রুটের টিকিট কোনো এজেন্টকে বিক্রি করে দেই না। এটা আমাদের পলিসির বাইরে। তাই টিকেট টিকিট ব্লকের কোনো প্রশ্নই আসে না।"
তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন, যখন পর্যটক দল বা যাত্রীদের জন্য গ্রুপ টিকিট বিক্রি করা হয় তখন পাসপোর্ট নম্বর এবং যোগাযোগের তথ্যসহ কঠোর নীতি আরোপ করা হয়।
বিমানের সিট খালি থাকার অভিযোগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "ঢাকা থেকে সিলেট হয়ে লন্ডনে আমরা ফ্লাইট পরিচালনা করি। ঢাকা-সিলেট রুটে হয়ত সিট খালি থাকছে, কিন্তু সিলেট-লন্ডন রুটে সিট প্রায় ভর্তি থাকছে।"
তিনি আরো বলেন, "একজন যদি ঢাকা-সিলেট রুটে বিমানের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়ে বলে যে খালি সিট নিয়েই লন্ডন যাচ্ছে বিমান, তাহলে আমাদের কি করার আছে?"
-B










