পুনরুদ্ধার হয়নি দক্ষিণ কোরিয়া চীন রুটে যাত্রী পরিবহন

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আকাশপথে যাত্রী চলাচল বাড়লেও দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন রুটে তার ব্যতিক্রম চিত্র দেখা যাচ্ছে। দেশটির সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত তথ্য বলছে, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে আকাশপথে দক্ষিণ কোরিয়া-চীন রুটের যাত্রী চলাচল ২০১৯ সালের মহামারী-পূর্ব স্তরের তুলনায় পুনরুদ্ধার হয়েছে মাত্র ১৩ শতাংশ। দেশটিতে আংশিকভাবে চীনা গ্রুপ ট্যুরের নিষেধাজ্ঞা এবং উভয় দেশের মধ্যকার ভ্রমণ চাহিদা কমায় এমনটা ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর ইয়োনহাপ এজেন্সি।
দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমি, অবকাঠামো ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে উভয় দেশের মধ্যে আকাশপথে ৭ লাখ ৩০ হাজার ৮১৭ জন যাত্রী চলাচল করেছেন। যেখানে ২০১৯ সালের একই সময়ে যাত্রী ছিল ৫৬ লাখ ৫১ হাজার ১০৪ জন। যদিও এ সময়ে অন্যান্য এশীয় রুটে যাত্রী চলাচল মহামারী-পূর্ব স্তরে ফিরে এসেছে। এমনকি কয়েকটি দেশের যাত্রী চলাচল আগের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে।
তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়া-জাপান রুটের যাত্রী সংখ্যা ৫৪ লাখ ৮৬ হাজার ৫৪২ জনে পৌঁছেছে। ২০১৯ সালের একই সময়ের তুলনায় যা ৭১ দশমিক ৮ শতাংশ। একইভাবে ভিয়েতনাম ২০১৯ সালের তুলনায় ৮২ দশমিক ২ শতাংশ, থাইল্যান্ড ৮২ দশমিক ৯ ও ফিলিপাইন পুনরুদ্ধার করেছে ৭১ দশমিক ৪ শতাংশ। বিশেষ করে মঙ্গোলিয়া ও সিঙ্গাপুরের রুটে যাত্রী চলাচল এ সময়ের মধ্যে পুনরুদ্ধার হয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। এ দুটি রুটে মহামারী-পূর্ব স্তরের তুলনায় বেড়েছে যথাক্রমে ১৩৬ দশমিক ৪ ও ১৩৮ শতাংশ।
চীনা রুটগুলোর শ্লথ পুনরুদ্ধার চীনা ভ্রমণকারীদের কমার কারণে হতে পারে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়াকে চীনের অনুমোদিত ৬০টি গ্রুপ ট্যুর গন্তব্যের তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার অভ্যন্তরীণ বাজারেও চীনা পর্যটন আকর্ষণের প্রতি আগ্রহের ঘাটতি রয়েছে।
কনজিউমার ইনসাইট নামে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি ভোক্তা গবেষণা সংস্থা প্রায় তিন হাজার পর্যটক নিয়ে একটি জরিপ চালায়। এ জরিপে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ভ্রমণ গন্তব্য হিসেবে চীনকে বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে কোরিয়ানদের আগ্রহ রয়েছে ২০১৯ সালের তুলনায় মাত্র এক-তৃতীয়াংশ।
-B










