পাঠাও পে চালু হলো সারাদেশে

ঢাকাঃ বাংলাদেশের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম পাঠাও মঙ্গলবার (৭ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করলো তাদের নতুন ডিজিটাল ওয়ালেট সেবা ‘পাঠাও পে’। যা মঙ্গলবার থেকেই দেশের সব প্রান্তে ব্যবহারযোগ্য হচ্ছে।
পাঠাও পে এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এখন খাবার অর্ডার, রাইড শেয়ারিং, বিল ভাগাভাগি, টাকা পাঠানো, এমনকি মোবাইল রিচার্জের মতো দৈনন্দিন আর্থিক কাজগুলো এক প্ল্যাটফর্ম থেকেই করতে পারবেন। এতে রয়েছে নানা ইনোভেটিভ ফিচার পে ট্যাগ, স্প্লিট পে, গ্রুপ সেন্ড মানি ও অটো পে। যা ব্যবহারকারীদের আর্থিক লেনদেনকে করে তুলবে আরও গতিশীল ও ঝামেলাহীন।
বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে পাঠাও পে চালু করেছে ‘পাঠাও পে কার্ড’যা মিউচাল ট্রাস্ট ব্যাংক পিলসি ও মাস্টার কার্ড দ্বারা সমর্থিত।
এই মাল্টি-কারেন্সি ডেবিট কার্ড তিনটি ইউনিক ডিজাইনে পাওয়া যাবে স্টারলিট হরিজন, পারপেল হরিজন ও সানসাইন বিচ ।
ব্যবহারকারীরা এতে পাবেন রিয়েল-টাইম ব্যালেন্স সিঙ্কিং, ডুয়াল কারেন্সি সাপোর্ট, এতে থাকবে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত পিন ছাড়া ও দেশে-বিদেশে শপিং ও সাবস্ক্রিপশন সুবিধা।
বিশ্বব্যাপী মাস্টারকার্ডের নিরাপত্তা কাঠামো এবং এমটিভি এর এটিএম সুবিধা যুক্ত করে এই কার্ড দেশীয় অর্থনীতিকে গ্লোবাল সংযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
লঞ্চ উপলক্ষে পাঠাও পে ইউজারদের জন্য ছিলো বিশেষ ক্যাশব্যাক অফার পাঠাও ফুড, বাইক, কার এবং পার্সেল সার্ভিসে সর্বমোট ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক।
পাঠাও এর সিইও ফাহিম আহমেদ বলেন, “পাঠাও পে হলো ডিজিটালি নিজস্ব ফাইন্যান্স নিয়ন্ত্রণের অন্যতম সহজ উপায়। এটি এমন একটি সমাধান যা বাংলাদেশি ইউজারদের প্রয়োজন অনুযায়ী ডিজাইন করা হয়েছে, এবং এটি প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষকে ক্ষমতায়িত করতে আমাদের প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করে।”
২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও বর্তমানে রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও ই-কমার্স লজিস্টিকসের শীর্ষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ১০ মিলিয়নের বেশি ব্যবহারকারী, ৩ লাখ চালক-ডেলিভারি পার্টনার এবং ২ লাখ মার্চেন্ট নিয়ে কাজ করছে। পাঠাও ইতোমধ্যে ৫ লাখের বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
-B










