অস্থায়ী ভিসা কন্স্যুলেট অফিসের কার্যক্রম গুটিয়ে নিল রোমানিয়া

ঢাকার কাকরাইলের বিএমইটি অফিস থেকে অস্থায়ী ভিসা কন্স্যুলেট অফিসের কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে রোমানিয়া সরকার। গত ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে কাকরাইলে ভিসা দেয়ার কার্যক্রম শুরু করেছিল ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল। তারা সাক্ষাৎকার নিয়ে ১৫ হাজার কর্মীকে ভিসা দেয়ারও কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে প্রতিনিধিদলটি কী কারণে অফিস গুটিয়ে চলেই গেল তা নিয়ে রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের মধ্যে নানা জল্পনা কল্পনা চলছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে সোমবার (১০ এপ্রিল)সন্ধ্যার আগে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মো: শহিদুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি টেলিফোন ধরেননি।
তবে বিএমইটি ও সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মালিকরা নাম না জানিয়ে এ বিষয়ে বলেছেন, ইন্টারভিউতে অংশগ্রহণকারী কর্মীদের সিরিয়াল মেনে ভিসা ইস্যু করার পক্ষে রোমানিয়ার কর্মকর্তারা অবস্থান নিলে সে ক্ষেত্রে বাদ সাধেন প্রভাবশালী স্বার্থান্বেষী একটি মহল। তারা চাপ দিয়ে সময় এগিয়ে আনার জন্য বলেন। তাদের চাপের কাছে নতি স্বীকার না করতেই প্রতিনিধিদলটি ঢাকা থেকে অফিস গুটিয়ে ভারতের দিল্লি থেকে তাদের কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে অভিযোগ এজেন্সি মালিকদের।
এ দিকে সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া অস্থায়ী কন্স্যুলেট অফিসের এক গণপ্রচারণায় জানানো হয়, ঢাকার রোমানিয়ান অস্থায়ী অফিসটি নয়াদিল্লিতে রোমানিয়ান দূতাবাসে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা আবেদনগুলো পরিচালনা করা অব্যাহত থাকবে। ওই গণপ্রচারণায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘আমরা আবারো বলছি যে ইন্টারভিউ সবার জন্য বাধ্যতামূলক। এটি ভিডিওকলের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হবে এবং রেকর্ড করা হবে।’ সাক্ষাৎকারে উপস্থিত থাকার বিষয়ে প্রার্থীর চুক্তির প্রতিনিধিত্ব করে। কারিগরি বা ভাষাগত যেকোনো কারণে ইন্টারভিউ আয়োজনে ব্যর্থ হলে ভিসা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
প্রতিটি আবেদনের সাথে একটি অ৪ শিট থাকবে যার ওপর এজেন্সির স্কাইপ আইডি লেখা থাকবে। যার মাধ্যমে ইন্টারভিউ অনুষ্ঠিত হবে এবং ফাইল জমা এবং পাসপোর্ট/স্বার্থের যেকোনো নথির জন্য স্বতন্ত্র বৈধ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি। সাক্ষাৎকারের জন্য এজেন্সিগুলোকে একটি উপযুক্ত রুম সরবরাহ করতে হবে যেখানে আবেদনকারী একা থাকবে। এ ছাড়াও, ওয়েবক্যাম, হেডসেট এবং ভালো মানের ইন্টারনেট সংযোগসহ কম্পিউটার সরবরাহ করতে হবে। অতএব, এই মুহূর্ত থেকে, আমরা পূর্বে করা সব অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করতে এগিয়ে যাবো এবং গত ৯ এপ্রিল পর্যন্ত এবং ফযধশধ@সধব.ৎড়-তে প্রাপ্ত সব ইমেইল মুছে ফেলা হবে।
গণপ্রচারণায় আরো বলা হয়, আপনাকে চিঠির সব নির্দেশাবলি অনুসরণ করতে বলব, যাতে আমরা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আবেদনগুলো আবার শুরু করতে পারি। অনুগ্রহ করে ১০ এপ্রিল তারিখ থেকে আমাদের কাছে লিখুন, শুধুমাত্র আপনার মধ্যে যাদের ফাইল ইতোমধ্যেই নয়াদিল্লিতে আছে। ১১ এপ্রিল থেকে শুরু করে, অন্যান্য সব এজেন্ট যারা, তাদের পরিচালনা করা ফাইলগুলোকে নি¤œলিখিত কলামগুলোর সাথে একটি এক্সেল ফাইলে পাঠাতে পারেন। এতে এজেন্টের নাম (যে ব্যক্তি নথি জমা দেবেন), আবেদনকারীর নাম (পুরো নাম), ঝঊ নম্বর, ওয়ার্ক পারমিট নম্বর, ওয়ার্ক পারমিট হস্তান্তরের তারিখ, রোমানিয়ার কোম্পানি। একটি এক্সেল নথিতে একজন এজেন্টের সব ফাইল থাকবে। তারা ওয়ার্ক পারমিটের তারিখ অনুযায়ী কেন্দ্রীভূত হবে এবং তারপর অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো ইমেলের মাধ্যমে পাঠানো হবে।
-B










