আকাশছোঁয়া ভাড়া আকাশপথে

দুই বছর পর কোনো প্রকার বিধিনিষেধ ছাড়াই মুক্ত আকাশপথ। তাই
ঈদে ঘরে ফিরতে এবার কয়েক গুণ যাত্রীর চাপ বেড়েছে আকাশপথে। ইতোমধ্যে বিক্রিও শেষ অধিকাংশ এয়ারলাইনসের টিকিট। বিশেষ করে ২৮, ২৯ এবং ৩০ এপ্রিলের।
এদিকে, সব গন্তব্যে ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ বাড়লেও চাহিদামতো টিকিট মিলছে না তিন এয়ারলাইন্সেই। যদিও ঈদ নয়, ভাড়া বাড়তির কারণ হিসেবে জেট ফুয়েলের উচ্চমূল্যকেই দুষছেন এয়ারলাইন্সগুলো। তবে, জ্বালানি তেলের দাম বাড়াকে, অজুহাত হিসেবে দাঁড় করানো হচ্ছে বলেই মনে করছেন এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা।
ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ২৮, ২৯, ৩০ এপ্রিল ও ১ মে-এই চার দিন মাত্রাতিরিক্ত চাপ আছে। সেটাও বিশেষ করে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর, যশোর, বরিশাল ও রাজশাহী রুটে। কক্সবাজারে ঈদের পর একটা চাপ আমরা দেখতে পাচ্ছি। সেখানে গত ২-৩ বছরের তুলনায় যাত্রীচাপটা এবার বেশি।
অপরদিকে, ভাড়া বাড়ায় অসন্তোষ জানিয়েছেন যাত্রীরা।
ট্রাভেল এজেন্টরা বলছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকির অভাবে ইচ্ছে মতো ভাড়া বাড়াচ্ছে এয়ারলাইন্সগুলো।
তিন প্রতিষ্ঠানেরই ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা যায় ২৮ এপ্রিল থেকে সঙ্কটের শুরু। ওইদিন ঢাকা-যশোর রুটে বিমানের সর্বনিম্ন টিকিট ৬ হাজার ৩শ’ টাকা। অন্য দুই এয়ারলাইন্সে তা ৬ হাজার ৪শ’ টাকা। আবার এ দামের টিকিট রয়েছে একটি-দুটি করে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে এ পথে টিকিটের দাম থাকে সাড়ে তিন হাজার টাকার মধ্যে।
যদিও এয়ারলাইন্সগুলো বলছে, ঈদকেন্দ্রিক যাত্রী হয়রানি আর বাড়তি চাপকে পুঁজি করে নয়, ভাড়া বাড়ানোর মূল কারণ জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক দাম।
এভিয়েশন এভিয়েশন খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, তেলের দাম যে হারে বেড়েছে তার থেকে টিকিটের দাম কিন্তু অনেক গুণ বাড়ানো হয়েছে। এয়ারলাইন্সগুলো কিছুটা সমন্বয় করতে পারে। তবে এতো বেশি বাড়াতে পারে না।
-Biplob










