২০২৩ সালে রেকর্ডসংখ্যক ই-৯ ভিসা দেবে দ.কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়া সরকার ২০২৩ সালে রেকর্ডসংখ্যক ই-৯ ভিসা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
শ্রমিকের চাহিদা পূরণে ছোট এবং মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে সহায়তা করার জন্যই এমন পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া সরকার। দেশটিতে অনেক বাংলাদেশী বোয়েসেলের মাধ্যমে পাড়ি জমিয়ে লাখ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, নতুন ১ লাখ ১০ হাজার ভিসার মধ্যে ৭৫ হাজার উৎপাদন শিল্পে, ১৪ হাজার কৃষি ও পশুসম্পদ শিল্পে, ৭ হাজার মৎস্য শিল্পে, ৩ হাজার নির্মাণ শিল্পে ১ হাজার সেবামূলক কাজে এবং বাকি ১ হাজার চাহিদার ভিত্তিতে নেয়া হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার শ্রমমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেছেন, সরকার আগামী বছর ১ লাখ ১০ হাজার ই-৯ ভিসা ইস্যু করবে। ই-৯ ভিসা ছোট এবং মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য নিয়োগ দেয়া হবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকে দেশের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য শ্রম, অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী নীতিগুলো প্রস্তাব করেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
তিনি বলেন, ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান মারাত্মক শ্রমিক সঙ্কটে ভুগছে। চলতি বছরে ৭০ হাজার বিদেশী শ্রমিক কোরিয়ায় প্রবেশ করেছে। আগামী বছর তা ১ লাখ ১০ হাজার করা হবে, এতে ওয়ার্ক পারমিট চালুর পর এক বছরে সর্বোচ্চ শ্রমিক নিয়োগ দেয়া হবে।
প্রতিবেদনে দক্ষিণ কোরিয়া মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ২০১৯ সালে ই-৯ ভিসাধারী বিদেশী কর্মীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ৭৭ হাজার। কিন্তু কোভিডের কারণে তা গত বছরের ডিসেম্বরে কর্মী সংখ্যা হ্রাস পেয়ে ২ লাখ ১৮ হাজারে নেমে আসে।
-B










