বাড়ছে দেশ-বিদেশে উড়োজাহাজ যাত্রার ব্যয়
ডলার সাশ্রয় ও অপ্রয়োজনীয় বিদেশযাত্রা কমানোর কথা উল্লেখ করে নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ভ্রমণ কর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফলে দেশের ভেতরে ও বাইরে উড়োজাহাজ যাত্রায় ৬৭ শতাংশ পর্যন্ত কর আরোপের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এতে দেশে ও বিদেশে উড়োজাহাজ যাত্রার ব্যয়ও বাড়বে।
ভ্রমণ কর বৃদ্ধির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তব্যে বলেন, ‘যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অস্থিরতায় বিশ্বব্যাপী মন্দার পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থায় আগামী অর্থবছরে আমাদের কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। জনসাধারণের মাঝে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ কমিয়ে কৃচ্ছ্রসাধন অভ্যাস আনা ও রাজস্ব জোগানে নতুন খাত সৃজনের জন্য আমি ভ্রমণ করের হার বিভিন্ন ধরনভিত্তিক বৃদ্ধির প্রস্তাব করছি। এতে একদিকে আমাদের অধিক পরিমাণে রাজস্ব জোগান হবে এবং অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় বিদেশ ভ্রমণ হ্রাস পেয়ে বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।’
ভ্রমণ কর আরোপ করা হলে আকাশপথে দেশের অভ্যন্তরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাত্রীদের নির্ধারিত হারে কর দিতে হতে পারে। এতে বাড়বে তাদের ভ্রমণ ব্যয়। বাজেটে সার্কভুক্ত দেশগুলোয় ভ্রমণের ক্ষেত্রেও ভ্রমণ কর বাড়ানোর কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী। কর বাড়বে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ এবং অন্যান্য দেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রেও। এছাড়া স্থলপথ অথবা জলপথে কোনো দেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে কর আরোপ হবে। এর আগে গন্তব্যস্থল ও পরিবহন পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে বহির্গামী যাত্রীদের জন্য ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকা করে কর নির্ধারিত ছিল।
প্রস্তাবিত বাজেটে এভিয়েশন খাতে কর বৃদ্ধির বিষয়ে বাংলাদেশ এভিয়েশন অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি মফিজুর রহমান জানান, কর বৃদ্ধির ফলে যাত্রীদের ওপর বাড়তি চাপ পড়বে। দেশীয় ফ্লাইটে ২০০ টাকা কর বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগে ৭৫০ টাকা ছিল। ফলে এটা এখন ১ হাজার টাকা হয়ে যাবে। আবার আন্তর্জাতিক ফ্লাইটে কর ৪ থেকে ৬ হাজার টাকা বাড়ানোর কথা বলা হচ্ছে।
অন্য কোথাও এভিয়েশন খাতে এত কর নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ভাড়া যেন যাত্রীদের সাধ্যের মধ্যে থাকে সেটা সবসময় প্রত্যাশা করি।’
-B










