ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ল

বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় বর্ডার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন প্রকল্পের অপারেশন সাপোর্টের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।
সভাশেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন করবে। এতে ব্যয় বেড়েছে ৮৮ কোটি ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭৪ টাকা। মোট খরচ হবে ৩ হাজার ৪৬৬ কোটি ৯৯ লাখ চার হাজার টাকা। কাজটি পেয়েছে জার্মানির ভ্যারিডোস জিএমবিএইচ।
জানা গেছে, ই-পাসপোর্ট ইস্যু ও অপারেশন সাপোর্ট সংক্রান্ত জার্মানি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ বাড়ছে। দ্বিতীয় দফায় এ মেয়াদ আরও ১৬ মাস বাড়ানো হচ্ছে। এ সময়ের জন্য সংস্থাটিকে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণের জন্য পরিশোধ করতে হবে ৮৮ কোটি ১১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৭৪ টাকা।
বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ফোর্স ম্যাজিওর ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে উভয়পক্ষের সম্মতিতে অপারেশন সাপোর্ট- এর মেয়াদকাল ২০২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২২ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়। পরে গত ২০২২ সালের ২৩ জুনে অপারেশন সাপোর্ট- এর মেয়াদ ২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রশাসনিক অনুমোদন দিয়েছে সুরক্ষা সেবা বিভাগ।
এরআগে ২০১৮ সালে বহির্বিশ্বের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সর্বশেষ উন্নত প্রযুক্তি সম্পন্ন পাসপোর্ট ইস্যু, পাসপোর্টের নিরাপত্তা বৃদ্ধি, বহির্বিশ্বে বাংলাদেশি পাসপোর্টের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে বাংলাদেশি নাগরিক ও আগত বিদেশি নাগরিকদের সুষ্ঠুভাবে গমনাগমন নিশ্চিত করতেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার কথা জানিয়েছিল সরকার।
২০১৬ সালের ২৪ এপ্রিল পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ উদ্বোধনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ই-পাসপোর্ট প্রবর্তনের নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর জার্মানি সফরের সময় ২০১৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি সে দেশের প্রতিষ্ঠান ভ্যারিডোস জিএমবিএইচ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ই-পাসপোর্ট চালুর বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পাসপোর্ট অধিদফতরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে ই-পাসপোর্ট চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
-B










