বড় হচ্ছে মহাকাশ পর্যটন খাত

মহাকাশভিত্তিক পর্যটন বাজার ২০২৯ সাল পর্যন্ত ২৯ শতাংশ সম্প্রসারণ হবে। তুর্কিভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্রের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
ট্যুরিজম স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে মহাকাশ পর্যটনের বাজারের আকার বেড়ে ৪০০ কোটি ডলারে গিয়ে দাঁড়াতে পারে। এ প্রোগ্রামের অধীনে পাওয়া যাবে পৃথিবীভিত্তিক সিমুলেশন ও অভিজ্ঞতাও। মহাকাশ ভ্রমণ শুরুর আগে ভ্রমণপ্রার্থীদের দিতে হবে শিক্ষাগত ও শারীরিক ফিটনেস পরীক্ষা।
সাধারণত মহাকাশচারী যেসব প্রযুক্তিগত মিশন করে থাকেন মহাকাশ পর্যটকদের উদ্দেশ্য সেদিক থেকে আলাদা, বিনোদনই মহাকাশ পর্যটনের লক্ষ্য। মহাকাশে ভ্রমণের দুটি উপায় আছে—পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথ ও সাব-অরবিটাল ফ্লাইট। নিম্ন কক্ষপথ বলতে বোঝানো হয় পৃথিবী থেকে ২ হাজার কিলোমিটারের কম উচ্চতাকে এবং সাব-অরবিটাল ফ্লাইট হবে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতায়।
বর্তমান প্রযুক্তিতে নিম্ন কক্ষপথে কেবল রাশিয়ান সয়ুজ মহাকাশযানের মাধ্যমে যাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে সাব-অরবিটাল ফ্লাইটের জন্য বর্তমানে কোনো মহাকাশযান নেই। তবে আমেরিকান রকেট ইঞ্জিন নির্মাতা কোর এমন মহাকাশযান তৈরি করছে, যাতে ছয়জন যাত্রী থাকতে পারবে। কোরের ডিজাইন করতে থাকা স্পেসশিপটু নামের যানটিতে প্রতি অভিযানে খরচ হবে ২ লাখ ডলার। এরই মধ্যে ২০০ জন ব্যক্তি এ ফ্লাইটে অংশগ্রহণের জন্য অগ্রিম অর্থ প্রদান করেছেন।
মহাকাশে হোটেলে থাকার সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে আসছে ওরিয়ন স্প্যান। পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ২০০ কিলোমিটার উচ্চতায় মহাকাশের প্রথম বিলাসবহুল হোটেলে থাকতে হলে জনপ্রতি গুনতে হবে ৯৫ লাখ ডলার।
উদ্যোগগুলো মহাকাশ পর্যটনের হলেও এর পেছনে অন্তর্নিহিত লক্ষ্য মহাকাশ পর্যটনকে মহাকাশ গবেষণা ও অভিযানের জন্য আয়ের উৎস হিসেবে দাঁড় করানো। যেহেতু বর্তমান মহাকাশ প্রযুক্তি ব্যয়বহুল খাত, তাই পর্যটনের পরিকল্পনাটি অর্থোপার্জনের মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণায় অবদান রাখতে সাহায্য করবে।
-B










