বান্দরবানে ঈদের ছুটিতেও তেমন পর্যটক নেই
বান্দরবানে ঈদের টানা পাঁচ দিনের ছুটিতেও পর্যটকেরা তেমন আসেননি। ঈদের ছুটির শেষ দিনে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ভাসমান (সকালে এসে বিকলে ফেরত) ভ্রমণকারীর সংখ্যা বাড়লেও হোটেল-মোটেলগুলোতে ২০ শতাংশের কম পর্যটক এসেছেন বলে পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন।
পর্যটকদের নিরাপত্তার কারণে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা, প্রচণ্ড দাবদাহ ও সামনে এসএসসি পরীক্ষা হওয়ায় পর্যটকেরা তেমন আসেননি বলে ধারণা পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।
ঈদের পর জেলা শহরের মেঘলা ও নীলাচল পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকের আগমন কিছুটা বেড়েছে। তবে তাঁরা বেশির ভাগ বান্দরবান জেলা শহরের আশপাশের সাতকানিয়া, পটিয়া, লোহাগাড়া ও রাউজান এলাকার। তাঁরা সকালে এসে জেলা শহরের আকর্ষণীয় স্থানগুলোতে সারা দিন ঘুরে বিকেলে আবার ফিরে যাওয়া ভ্রমণকারী। নীলাচল এলাকার অবকাশযাপনকেন্দ্রের মালিক ও হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
নীলাচল পর্যটনের প্রবেশদ্বারে কর্মরত সুমী ত্রিপুরা বলেছেন, গত বছরে ঈদের ছুটির এই সময়ে প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন হাজার টিকিট বিক্রি হতো। এবারে গতকাল শনিবার থেকে টিকিট বিক্রি কিছুটা বেড়েছে। শনিবার এক হাজার ও আজ রোববার বেলা সাড়ে তিনটা পর্যন্ত ১ হাজার ১০০ টিকিট বিক্রি হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার সারা দিনে ১৫০টি ও বুধবার ৫০টির মতো টিকিট বিক্রি হয়েছিল। বাইরের ব্যাকপ্যাক পর্যটক একেবারে নেই বললে চলে।
জেলা হোটেল-মোটেল মালিক সমিতির সভাপতি অমল কান্তি দাশ বলেছেন, জেলা শহরে একসঙ্গে প্রায় ৬ হাজার পর্যটকের রাত যাপনের সুযোগ রয়েছে। তাঁর মতে, পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণীয় তিনটি উপজেলা রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়িতে নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতির কারণে দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ ছাড়া প্রচণ্ড দাবদাহ ও সামনে এসএসসি পরীক্ষা হওয়ায় পর্যটকের আগমন কমেছে।
-B










