সাগর উত্তাল, তবুও লোনাজলে পর্যটক
সাগর উত্তাল, হতাশ পর্যটক
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ চলছে। এর প্রভাবে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল। উত্তাল সাগরে গোসলে নামা নিষেধ। কিন্তু সেদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই ভ্রমণে আসা পর্যটকদের। লোনা জলে শরীর-মন ভেজাতে তাঁরা ঝাঁপ দিচ্ছেন সাগরে।
ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে সাগর উত্তাল হয়ে ওঠায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কক্সবাজারে ঘুরতে আসা ভ্রমণপিপাসুদের আনন্দ মাটি হয়ে গেছে। সমুদ্রস্নান কিংবা পানিতে নামার ক্ষেত্রে নিষেধ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ বলেন, সমুদ্র এখন উত্তাল রয়েছে। ইতোমধ্যে সাগরে থাকা মাছ ধরার ট্রলারগুলোকে কূলে চলে আসতে বলা হয়ছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের নৌযানকে উপকূলে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।
রংপুর থেকে সপরিবারে বেড়াতে আসা কামাল ফয়সাল বলেন, এত দূর থেকে আসলাম ছেলেমেয়েদের নিয়ে একটু সাগরে গোসল করব। কিন্তু সাগর যে পরিমাণ উত্তাল, তাতে ছেলেমেয়েদের নিয়ে নামতে সাহস পাচ্ছি না। একই কথা বলেছেন সৈকতে বেড়াতে আসা একাধিক পর্যটক।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিচ কর্মী মাহবুবুর রহমান জানান, আমরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। অনিরাপদ জোনে গোসল না করার জন্য মাইকিং করছি। পানিতে নেমেও সতর্ক করা হচ্ছে। তবে উৎসুক পর্যটকরা কোনো নির্দেশনা মানছেন না।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল করিম বলেন, কক্সবাজার সমুদ্রে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত ঘোষণার পর ট্যুরিস্ট পুলিশ সজাগ রয়েছে। পর্যটকরা যাতে গভীর পানিতে নেমে গোসল কিংবা ওয়াটার বাইক না চালান, সেদিকে নজর রাখা হয়েছে। ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। যারা সতর্ক সংকেত না মেনে সমুদ্রের পানিতে নামছেন, তাদের কূলে তুলে দেওয়া হচ্ছে।
পর্যটকদের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন ট্যুরিস্ট পুলিশের এই কর্মকর্তা।
-B










