জি২০ সম্মেলন ঘিরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বালির পর্যটন খাত

পুরনো রূপে ফিরতে শুরু করেছে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বালি। চলমান জি২০ সম্মেলন ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপটির পর্যটন চাঙ্গায় প্রধান চালক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।
দৃষ্টিনন্দন সৈকত, বিস্তৃত ধানখেত, প্রাচীন মন্দির ও বৈচিত্র্যপূর্ণ ধর্মীয় চর্চার জন্য পরিচিত বালি। কিন্তু করোনা মহামারীতে ইন্দোনেশিয়ার অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে এ পর্যটন কেন্দ্র।
মহামারীর আগে বালিতে প্রতি বছর ৬২ লাখ বিদেশী পর্যটকের আগমন ঘটত। কিন্তু ২০২০ সালের মার্চে ইন্দোনেশিয়ায় প্রথম কভিড-১৯ সংক্রমণের খবর পাওয়ার পর দেশটির পর্যটন খাত বড় আকারের ধাক্কা খায়। বালির মতো পর্যটন কেন্দ্রের অনেক রেস্তোরাঁ ও রিসোর্ট বন্ধ হয়ে যায় এবং অনেক কর্মী নিজ গ্রামে ফিরে যান।
সরকারি উপাত্তে দেখা যায়, ২০২০ সালে বালিতে বিদেশী পর্যটক আগমন ১০ লাখে নেমে আসে এবং ২০২১ সালে তা নেমে আসে কয়েক ডজনে। পর্যটন খাতে কর্মরত ৯২ হাজারেরও বেশি কর্মী চাকরি হারান। এতে ২০২০ সালে দ্বীপটির অর্থনীতি ৯ দশমিক ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়। ২০২১ সালে সংকোচন আরো ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
বালি দ্বীপে ৪০ লাখেরও বেশি মানুষের বাস এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির এ দ্বীপে অধিকাংশ বাসিন্দা হিন্দু। কয়েক দফা করোনার ধাক্কায় টানা দুই বছর বালির পর্যটন খাত মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ২০২১ সালের আগস্টে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত হয় বালি। কিন্তু পুরো ২০২১ সালে মাত্র ৫১ জন বিদেশী পর্যটক দ্বীপটি ভ্রমণ করেন।
তবে জি২০ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বালিতে পা পড়ছে হাজারো পর্যটকের। চলতি বছরের অক্টোবর নাগাদ ১৫ লাখেরও বেশি বিদেশী এবং ৩১ লাখ স্থানীয় পর্যটক বালি ভ্রমণ করেছেন।
-B










