চাঙ্গা হতে শুরু করেছে গ্রিসের পর্যটন

করোনা মহামারি কাটিয়ে চাঙ্গা হতে শুরু করেছে গ্রিসের পর্যটন খাত। বিধিনিষেধ না থাকায় পর্যটকদের পদচারণায় মুখর পর্যটন কেন্দ্র। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোভিড মহামারির লোকসান কাটিয়ে চাঙা হচ্ছে গ্রিসের অর্থনীতি।
ইউরোপে চলছে গ্রীষ্ম মৌসুম। জুলাইয়ের ছুটি কাটাতে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ঘুরতে বের হচ্ছেন ভ্রমণপিপাসুরা। করোনা সংক্রমণ কমতে থাকায় দেশে দেশে তুলে নেয়া হয়েছে বিধিনিষেধ। দীর্ঘ দুই বছরের বন্দি জীবনের পর মুক্ত নিশ্বাসের খোঁজে ইউরোপের সাধারণ মানুষ।
পর্যটকদের স্বাগত জানাতে চলছে ইউরোপের দেশে নানা প্রস্তুতি। এরইমধ্যে ঢেলে সাজানো হয়েছে গ্রিসের পর্যটন শিল্প। বিধিনিষেধ না থাকায় পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে দেশটি। রাজধানী এথেন্সেসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে হোটেল-মোটেলে নেই তিল ধারণের ঠাঁই।
একজন বাসিন্দা বলেন, করোনার সময় এগুলো সব খালি ছিল। এখন সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে গেছে। মানুষ আবারও ঘুরতে বের হচ্ছে। সত্যিই অনেক ভালো লাগছে। দীর্ঘদিন পর ঘুরতে বের হয়েছি। আরো বেশ কয়েকটি দেশে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। ২০২০ সালের পর কোথায়ও যেতে পারিনি। তাই এবার একটু বেশি ঘোরাঘুরি করবো।
গ্রিসের পর্যটক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এরইমধ্যে করোনা মহামারির ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠেছেন ব্যবসায়ীরা। পর্যটন শিল্প দীর্ঘদিনের মন্দা কাটিয়ে উঠায় চাঙা হচ্ছা গ্রিসের অর্থনীতি।দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান দেশটির পর্যটনমন্ত্রী।
২০১৯ সালে গ্রিসে ৩ কোটি ৪০ লাখ মানুষ ঘুরতে যান। ২০২০ সালে সেই সংখ্যা কমে ৭৪ লাখে দাঁড়ায়। গত বছর সেই সংখ্যা কমে ১৪ লাখে নেমে আসে। গ্রিসের জাতীয় অর্থনীতির মোট আয়ের ১২ দশমিক ৫ শতাংশ আসে পর্যটন খাত থেকে।
-B










