পর্যটকশূন্য মহামায়া : ক্ষতির মুখে ব্যবসায়ীরা

চট্টগ্রামঃ রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পর্যটকশূন্য হয়ে পড়েছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক মহামায়া ইকোপার্ক। যে সময়ে পার্কটি পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকার কথা, ঠিক তখন মহামায়ায় সুনসান নীরবতা বিরাজ করছে। পর্যটকদের ঘিরে গড়ে ওঠা অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি খোলা থাকলেও বেচাকেনা নেই বললেই চলে।
মহামায়া ইকোপার্ক এলাকায় গিয়ে দেখা যায় কোনো কোলাহল নেই। ঠাকুরদীঘি থেকে মহামায়ায় যাওয়ার সড়কটিতে যানবাহনের জন্য হেঁটে চলাই দায় ছিল। এখন সে সড়কে ৩০ মিনিটেও কোনো গাড়ির দেখা মেলে না। হোটেলসহ বিভিন্ন দোকানে মানুষের পদচারণা নেই। অথচ এখানে সব সময় মানুষের জটলা লেগে থাকত। পার্কের মূল গেটের বাইরে গাড়ি পার্কিংয়ে শতাধিক বাস, মাইক্রো, প্রাইভেট কারের ভিড় লেগে থাকত। অথচ পার্কিংয়ে একটি গাড়িও চোখে পড়েনি। টিকিট কাউন্টারে বসে অলস সময় কাটাচ্ছেন ইজারা পাওয়া প্রতিষ্ঠানের লোকজন। লেকের পাড়ও জনমানব শূন্য। লেকের পানিতে চলাচলা করা ইঞ্জিনচালিত নৌকা, কায়াকিং বোট সব ঘাটে বাঁধা রয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বন বিভাগ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য মহামায়া ইকোপার্কটি ১কোটি ৭০ লাখ টাকায় ইজারা দিয়েছে। ইজারা পায় এ আর এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন ন্যূনতম ৩০০ থেকে ৪০০ পর্যটক পার্কে আসেন। ছুটির দিনে কোনো কোনো সময় ২ থেকে ৩ হাজার পর্যটকও মহামায়ায় আগমন ঘটে।
মান্নান স্টোরের স্বত্বাধিকারী খায়েজ আহম্মদ বলেন, বেচাকেনা নেই। বাড়িতে বসে থেকে কী করব? তাই দোকান খুলে বসে বসে মোবাইল দেখছি।
মহামায়ার প্রবেশমুখে সড়কে যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করা সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক নাছির উদ্দিন বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় এই রুটে যাত্রী নেই। এক ঘণ্টা বসে থাকার পরও যাত্রী পাচ্ছি না। অথচ এখানে প্রতি ৫ থেকে ১০ মিনিটে একটি করে গাড়ি চলতো।
-B










