পর্যটক টানছে ‘নতুন সেন্ট মার্টিন’ পাটোয়ারটেক
সড়কের পূর্ব পাশে উঁচু পাহাড়, পশ্চিম পাশে পাথুরে সৈকত পাটোয়ারটেক।
স্থানীয় লোকজন বলছেন, পাটোয়ারটেক সৈকত দেখতে অনেকটা বঙ্গোপসাগরের মধ্যে অবস্থিত আট বর্গকিলোমিটার আয়তনের প্রবালদ্বীপ সেন্ট মার্টিনের মতোই। সৈকতজুড়ে গোলাকৃতির পাথরখণ্ড। পর্যটক টানছে পাহাড়কূলের নতুন এই সেন্ট মার্টিন।
সেন্ট মার্টিনে পাহাড় নেই। পাটোয়ারটেক সৈকতের উঁচু পাহাড়সারি এবং পাহাড়ের পাদদেশের সুপারিগাছে ভরপুর সবুজ পল্লি পর্যটকদের ভ্রমণে এনে দিচ্ছে নতুন মাত্রা। পর্যটকদের পদচারণে মুখর এ পাথুরে সৈকতকে ঘিরে গড়ে উঠছে অসংখ্য দোকানপাট ও রেস্তোরাঁ। দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জায়গাজমি কিনে হোটেল, মোটেল ও রিসোর্ট তৈরির প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।
৮৪ কিলোমিটারের ‘কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের’ ঠিক মধ্যভাগে উখিয়ার পাটোয়ারটেক সৈকত। বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় গত ১ এপ্রিল থেকে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ আছে। পুনরায় জাহাজ চলাচল শুরু হবে আগামী নভেম্বরে। সে জন্য পাটোয়ারটেক সৈকতে গিয়ে সেন্ট মার্টিনের রূপ-লাবণ্য খুঁজে বেড়াচ্ছেন অনেকে।
কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু বলেন, 'পাটোয়ারটেক সৈকতে দিন দিন পর্যটক বাড়ছে। তবে পর্যটক বাড়ায় সেখানে প্রতিযোগিতামূলক যত্রতত্র দোকানপাট গড়ে তোলা হচ্ছে। সেই দোকানগুলোর বর্জ্য সৈকতে ফেলা হচ্ছে যা সাগরের পানির সঙ্গে মিশে যাচ্ছে। ভ্রমণে আসা পর্যটকেরা অপচনশীল প্লাস্টিকের বর্জ্য, যেমন মিনারেল ওয়াটারের বোতল, চিপসের প্যাকেট, কোমল পানীয়র ক্যান-বোতল, সিগারেটের ফিল্টার, পলিথিন ফেলছেন সৈকতে। সেখানে ময়লা–আবর্জনা ফেলার জন্য ডাস্টবিনের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়াও সন্ধ্যার পর থেকে রেস্টুরেন্টের সামনে করা আলোকসজ্জা এবং সৈকত আলোকিত থাকায় ডিম পাড়তে পারছে না গভীর সমুদ্র থেকে ছুটে আসা মা কচ্ছপ। এতে পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে।'
-B










