দুই বিমানের সংঘর্ষ: দায়িত্বরত সবাইকে শোকজ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের দুটি উড়োজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সে সময় দায়িত্বে থাকা প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
২৫ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
বৈঠকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এখন থেকে এটা ফিক্সড করে দিতে হবে। যেমন দুটো বিমান ধাক্কা লাগলো। এখানে বিমান তো একা একা ধাক্কা লাগতে পারে না, এখানে তো অনেকেই ডিউটি করেন। এটা ওয়ার্ক আউট করে প্রত্যেককে কাজের রেসপনসিবিলিটি ফিক্সড করতে হবে। ওই সময়ে ওই কাজে যারা রিলেটেড থাকবে, সবাইকে এটার জন্য দায় বহন করতে হবে। কীভাবে তাদের কমপনসেট করতে হবে এটা ফাইন্ড আউট করে কুইকলি ব্যবস্থা নিতে হবে।
তিনি বলেন, ধরেন ওইদিন ধাক্কা খেলো। একজন দুজন তো আর জড়িত না। একজন পুশ করে একজন পাইলট থাকে বা গার্ড থাকে ও ক্লিয়ারেন্স দেয়, ট্রাফিকে যারা থাকে তাদের সবাইকেই শোকজ করতে বলা হয়েছে।
গত ২৬ জুন রাত ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের একটি বোয়িং প্লেনকে হ্যাঙ্গারে প্রবেশ করানোর সময় সেখানে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি প্লেনের সঙ্গে আরেকটি প্লেনের সংঘর্ষ হয়। এতে দুই বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এর আগে, গত ১০ এপ্রিল দুপুরে বিমানের একটি বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ হ্যাঙ্গারের ভেতরে ঢোকানোর সময় ভেতরে থাকা আরেকটি বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তাতেও রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান সংস্থার দুটো উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
সেই সময় দায়িত্বে অবহেলার জন্য বিমানের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন- বিমানের মুখ্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম, প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম, সৈয়দ বাহারুল ইসলাম ও সেলিম হোসেন খান এবং জিএসই অপারেটর মো. হাফিজুর রহমান।
-B










