বিমানের লোকসান ও অনিয়ম রোধে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে-মাহবুব আলী

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লোকসান ও অনিয়ম রোধে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় মুনাফা দেখছে দেশের পিছিয়ে থাকা এই খাত।
চলতি অর্থবছরের তিন মাসসহ গত অর্থবছরে বিমানের আয়ের তথ্য দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।
বুধবার (২ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লোকসান ও অনিয়ম রোধে নানা পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
২০২০-২১ অর্থবছরে বিমানে ১৫৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা মুনাফা হয়েছে। এই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মাত্র তিন মাসে টিকিট বিক্রি করে এক হাজার ৫৬৩ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, টিকিটের মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় বিমানকে অনেক লোকসান গুনতে হতো। বর্তমানে ডায়নামিক প্রাইসিং পলিসি গ্রহণের কারণে টিকিটের মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া কঠোরভাবে মনিটরিং করা সম্ভব হচ্ছে । এতে বিমানের রাজস্বও বাড়ছে। এছাড়া টিকিটের দাম ১৪ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশে কমিয়ে আনা হয়েছে।
লাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এ বছর ৪৫ কোটি টাকার জিএসই ইক্যুইপমেন্ট কেনা হয়েছে। এছাড়া আরও ৮০ কোটি টাকার বিভিন্ন ধরনের ইক্যুইপমেন্ট শীঘ্রই সংযোজন করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ২০২৩ সালের জুন মাসের মধ্যে ১১৩ কোটি টাকার জিএসই ইক্যুইপমেন্ট কেনা হবে হবে।
প্রতিনিয়ত লাভজনক বিভিন্ন রুট চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং সক্ষমতা অনুযায়ী নতুন নতুন গন্তব্যে বিমান তার যাত্রা শুরু করছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। সম্প্রতি চীনের গুয়াংজু এবং কানাডার টরেন্টো রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করা হয়েছে। মালে (মালদ্বীপ) ও নারিতা (জাপান) রুটে ফ্লাইট শুরু করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরো বলেন, বরিশাল বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দরে উন্নীত করতে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য দক্ষিণ কোরিয়ার আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইয়োসিন হিরিম সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শেষ করে মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে।
মাহবুব আলী পরে বিমানের জন্য নির্মাণকৃত ও নির্মাণ পরিকল্পনায় থাকা বিভিন্ন প্রকল্পের কথাও তুলে ধরেন।
-B










