চলতি বছর বিদেশী পর্যটক টানতে পারেনি ভিয়েতনাম

পর্যটন চাঙ্গার মাধ্যমে পরিষেবা খাত শক্তিশালীর চেষ্টা করছে ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলো।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশ বিদেশী পর্যটক আকৃষ্টে বেশ সফলতার পরিচয় দিলেও ভিয়েতনাম সেখানে বেশ পিছিয়ে আছে। করোনা বিধিনিষেধ শিথিল করা হলেও বিদেশী পর্যটক আগমন তেমন চাঙ্গা নয়। দেশটির পরিসংখ্যান কার্যালয় প্রকাশিত উপাত্তে দেখা গেছে, চলতি বছরের প্রথম ১০ মাসে ভিয়েতনামে বিদেশী পর্যটক ছিল ২৪ লাখ। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ এসেছিল করোনা মহামারী শুরুর আগে। করোনা শুরুর আগে ২০১৯ সালে ভিয়েতনামে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১ কোটি ৮০ লাখ বিদেশী পর্যটক এসেছিল, যা ২০১৮ সালের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি। কিন্তু ২০২০ সালে মার্চের শেষের দিকে সাময়িকভাবে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ভিয়েতনাম।
চলতি বছর মার্চের মাঝামাঝিতে কভিড বিধিনিষেধ শিথিল করে দেয় দেশটি। করোনা শুরুর আগে দেশটির মোট বিদেশী পর্যটকের ৬০ শতাংশই ছিল চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার। ২০১৯ সালে চীন থেকে এসেছিল ৫৮ লাখ এবং দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ৪২ লাখ পর্যটক। কিন্তু চলতি বছরের জানুয়ারি-অক্টোবরে চীনা পর্যটক এসেছে মাত্র ৪০ হাজার। একই সময়ে জাপান ও রাশিয়া থেকে পর্যটক এসেছে যথাক্রমে ৭০ হাজার ও ১০ হাজার।
ভিয়েতনামের পর্যটন খাত পুনরুদ্ধারে শ্লথগতির পেছনে এ ভিসা নীতির ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। তারা মাত্র ২৫ দেশের নাগরিকদের ভিসামুক্ত প্রবেশের সুযোগ দিয়ে থাকে। ভিয়েতনামের মোট জাতীয় উৎপাদন বা জিডিপির ১০ শতাংশ আসে পর্যটন খাত থেকে। ২০৩০ সালে জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ১৫-১৭ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা দেশটির। নিক্কেই এশিয়া
-B










