কক্সবাজার বিমানবন্দর রানওয়ে সমুদ্র সম্প্রসারণ কাজের অগ্রগতি ৩৬ শতাংশ


ঢাকাঃ কক্সবাজার বিমানবন্দর রানওয়ে সমুদ্রে সম্প্রসারণ কাজের বর্তমান অগ্রগতি ৩৬ শতাংশ।
কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমানের সভাপতিত্বে পহেলা সেপ্টেম্বর বিমানবন্দর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় নিরাপত্তা কমিটির ২য় সভা।
সভার শুরুতে কমিটির সদস্যগণ কক্সবাজার অপারেশন এলাকাসহ রানওয়ে সমুদ্রে সম্প্রসারণ কাজ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন কালে বিমানবন্দরের এয়ার সাইডের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিত করা হয়। এরপর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্প কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করা হয়।
এ সময় প্রকল্প কাজে দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হতে জানানো হয় যে, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রানওয়ে সমুদ্রে সম্প্রসারণ কাজ আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০২৩ এর মধ্যে সমাপ্ত হবে মর্মে জানানো হয়।
বিমানবন্দর এলাকা পরিদর্শনের পর সভার কার্যক্রম শুরু হয়। সভায় কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করনের জন্য বিমানবন্দর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নিরাপত্তা ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিত করা ও তা সমাধানের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় এভিয়েশন সিকিউরিটি ও এরোড্রাম সার্টিফিকেশনের দৃষ্টিকোন থেকে বিমানবন্দর এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো সংহত করার বিষয়ে বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। তাঁর প্রস্তাবনায় তিনি এয়ার সাইড, টার্মিনাল ভবন ও ল্যান্ড সাইডের নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়টি তুলে ধরেন।
প্রস্তাবনার বিষয়ে বিমান বাহিনী ঘাঁটি, কক্সবাজারের এয়ার অধিনায়ক, এনএসআই এর প্রতিনিধি, ডিআইজি, পুলিশ সদর দপ্তর, জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, কক্সবাজার, পুলিশ সুপার, কক্সবাজার, র্যাব-এর প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সংস্থার প্রতিনিধিগণ মতামত প্রদান করেন।
সভায় বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করণের লক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে ৬ হাজার ফুট থেকে ৯ হাজার ফুটে উন্নীত করে।
কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করণের জন্য আইকাও এর মানদন্ড অনুযায়ী টাওয়ার বিল্ডিং, ফায়ার ষ্টেশনসহ অন্যান্য স্থাপনা সরিয়ে পুনঃ নির্মাণ প্রয়োজন হবে। বিমানবন্দর এলাকা থেকে এ পর্যন্ত অবৈধ বসতি স্থাপনকারী ৬০০ পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।
সভায় বেবিচকের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ বিমান বাহিনী ঘাঁটি, কক্সবাজার এর অধিনায়ক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং কক্সবাজার জেলা পর্যায়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
- T










